default-image

গুগলের ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহার করে কোনো ওয়েবসাইট দেখার সময় ওই ব্যবহারকারী সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে গুগল। কোনো ব্যবহারকারী যদি তা না চান, তবে ‘ইনকগনিটো মোড’ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। এবার গুগলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, ইনকগনিটো মোড সচল করলেও ব্যবহারকারীর ওপর নজর রাখছে মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার এক বিচারক গত শুক্রবার বলেছেন, এ জন্য গুগলকে ‘ক্লাস অ্যাকশন’ মামলার মুখোমুখি হতে হবে।

যখন এক দল ভুক্তভোগীর পক্ষে তাদের প্রতিনিধি মামলা করে, সেটিকে ক্লাস অ্যাকশন মামলা বলা হয়।

দ্য ভার্জের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের জুনে তিন ব্যবহারকারী গুগলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তাঁদের অভিযোগ ছিল, ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করে বিশাল ব্যবসায় পরিচালনা করে গুগল। এমনকি ব্যবহারকারী নিজের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষার জন্য পদক্ষেপ নিলেও (ইনকগনিটো মোড) নজরদারি বন্ধ করছে না প্রতিষ্ঠানটি। মামলায় অন্তত ৫০০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে।

মামলা বাতিল চেয়ে আবেদন করেছে গুগল। তবে মার্কিন বিচারক লুসি কোহ রায় দিয়েছেন, প্রাইভেট ব্রাউজিং মোডে থাকার সময় ব্যবহারকারীকে না জানিয়ে তথ্য সংগ্রহের পথ খোলা রাখছে গুগল। অর্থাৎ চাইলে মামলা জারি রাখা যাবে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে গুগল বলছে, তারা ব্যবহারকারীর কাছে পরিষ্কার করেছে যে ইনকগনিটো মানে অদৃশ্য নয় এবং ইনকগনিটো মোডে থাকলেও ব্যবহারকারীর কর্মকাণ্ডে নজর রাখতে পারে ওই ওয়েবসাইট কিংবা তৃতীয় পক্ষের কোনো সেবা।

default-image

দ্য ভার্জকে পাঠানো এক ই-মেইলে গুগলের মুখপাত্র হোসে কাস্তানিয়েদা বলেছেন, ‘মামলার অভিযোগের বিপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছে গুগল এবং সক্রিয়ভাবে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যাবে। ক্রোমের ইনকগনিটো মোডে ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা মানে ওই ব্যবহারকারীর কর্মকাণ্ড ব্রাউজার কিংবা ডিভাইসে সংরক্ষণ করা হয় না। প্রতিবার ইনকগনিটো মোডে নতুন উইন্ডো খোলার সময় আমরা পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করে দিই, ওয়েবসাইট হয়তো আপনার ব্রাউজিং সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।’

এ বছরের শুরুতে গুগল বলেছিল, তৃতীয় পক্ষের ট্র্যাকিং কুকি বন্ধ করতে যাচ্ছে তারা। তা ছাড়া কুকিজের বদলে একই ধরনের কিছু তারা চালু করবে না, এমনকি বিজ্ঞাপনী আয় কমে গেলেও নয়।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন