বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পোস্টে ক্যামোফ্লেজ পোশাকে দুজন মানুষের ছবিও ছিল। মুখ ঢাকা দুজনের মাথায় ছিল আইজেদ্দিন-আল-কাসাম ব্রিগেডের প্রতীকযুক্ত কাপড়। গাজার নিয়ন্ত্রণে থাকা হামাসের শাখা সেটি। বিপজ্জনক সংগঠন নীতিমালার আওতায় ফেসবুকের কাছে আল-কাসাম ব্রিগেড ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে চিহ্নিত।

ফেসবুক প্রথমে পোস্টটি মুছে ফেলে। তবে ওই ব্যবহারকারী সরাসরি ওভারসাইট বোর্ডে আবেদন করলে পোস্টটি ফিরিয়ে আনে ফেসবুক। তবে শুরুতে ফেসবুকের দুজন মডারেটর কেন সেই পোস্টকে অনুপযুক্ত ঘোষণা করেন, তার ব্যাখ্যা দিতে পারেনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি।

তদন্তের অংশ হিসেবে ওভারসাইট বোর্ড ফেসবুকের কাছে জানতে চায়, এপ্রিল ও মে মাসে ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের সংঘাত নিয়ে দেওয়া পোস্ট সরানোর জন্য ইসরায়েলের সরকারের কাছ থেকে কোনো ধরনের অনুরোধ তারা পেয়েছে কি না। ফেসবুক বলেছে, ‘অফিশিয়াল’ কোনো অনুরোধ তারা পায়নি। তবে ‘আন–অফিশিয়াল’ অনুরোধের প্রশ্নে উত্তর দেয়নি ফেসবুক।

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিয়ে ৬ থেকে ১৯ মের মধ্যে দেওয়া প্রায় ৫০০ ফেসবুক পোস্ট মুছে ফেলা হয় বলে জানিয়েছে এক ফিলিস্তিনি ডিজিটাল অধিকার সংগঠন। ভুল করে কিছু পোস্টকে সহিংসতা উদ্রেককারী হিসেবে চিহ্নিত করায় ফেসবুকের ভাইস প্রেসিডেন্ট নিক ক্লেগ পরে ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শতেয়াহর কাছে ক্ষমা চান।

তদন্তের ফলাফল হিসেবে ওভারসাইট বোর্ড ফেসবুককে কিছু কাজের পরামর্শ দেয়। এর মধ্যে তদন্তের জন্য স্বাধীন সত্তা গঠন ও স্বচ্ছতার নিশ্চিতের মতো কিছু বিষয় আছে।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন