বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তাসনিম জারা স্বাস্থ্যবিষয়ক ভিডিও বানিয়ে ছেড়ে দিলেন নিজের ফেসবুক পেজে। দিন দিন তাসনিমের ঝরঝরে বাংলা ভাষার ভিডিও জনপ্রিয় হয়ে উঠল। করোনাকালে মৌলিক তথ্যসহ মানসিক স্বাস্থ্যের নানা বিষয়ে তিনি কথা বলে চলেছেন। করোনাকালে যেন নির্ভরযোগ্য তথ্যের উৎস বাংলাদেশি এই তরুণ চিকিৎসক। করোনাকালে তাঁর সচেতনতামূলক ভিডিও দেখে অনেকেই উপকৃত হয়েছেন। তাসনিম জারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পড়ছেন। স্নাতকোত্তরে তাঁর পড়ার বিষয় ‘এভিডেন্স বেজড মেডিসিন’।

ভিডিও নির্মাণ ছাড়া তাঁর বর্তমান ব্যস্ততা ‘সহায়’ নামের একটি ওয়েবসাইট ঘিরে। তাসনিম তাঁর কিছু সহকর্মী আর বন্ধুকে নিয়ে কয়েক মাস আগে এই ওয়েবসাইট চালু করেছেন। স্বাস্থ্যসেবাসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও বিভিন্ন রোগের লক্ষণ, উপশম ও করণীয় নিয়ে পরামর্শ দিয়ে সাজানো হচ্ছে ওয়েবসাইটটি।

করোনা মহামারির শুরু থেকেই ইংল্যান্ডের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন তাসনিম জারা। চিকিৎসক হিসেবে সম্পূর্ণ নতুন এক অভিজ্ঞতা হয়েছে তাঁর। হাসপাতালের দায়িত্ব পালন শেষে ঘরে ফিরেই পড়াশোনার ব্যস্ততা সামলে ভিডিও তৈরি করেন তাসনিম। তাঁর এসব ব্যাখা, বিশ্লেষণ ও প্রমাণের যথাযথ সূত্র ভিডিওতে জুড়ে দেন তাসনিম জারা। তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে সহজ ও প্রাঞ্জল বাংলায় কথা বলেন বলেই মানুষও সাদরে শুনছে তাঁর কথা। ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়ার সময় তিনটি আন্তবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন তাসনিম। এ ছাড়া সে সময় জাতিসংঘ যুব উপদেষ্টা পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতিও ছিলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে তাসনিম জারার কাছে জানতে চাওয়া হয়, কীভাবে সচেতনতামূলক ভিডিও তৈরি শুরু করেন, ছোটবেলার গল্প, ছোটবেলার স্বপ্ন, ভিডিও বানানোর কলাকৌশলসহ নানান বিষয়। সাবলীল ভাষায় তাসনিম জারাও দর্শকদের শুনিয়েছেন তাঁর সাফল্যের গল্প।

আয়োজন সম্পর্কে গ্রামীণফোনের নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, ‘“আগামীর বাংলাদেশ”; যেখানে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে কথা তুলে ধরা হবে। বলতে চাই আমাদের নতুন প্রজন্মের সাফল্য নিয়ে এবং কীভাবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মও এগিয়ে যেতে পারে এসব সাফল্য থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে। এই আয়োজনে আমন্ত্রণ জানাব আমাদের তরুণ রোলমডেলদের, যাঁদের সাফল্য গর্বিত করেছে আমাদের এবং দেশ–বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের। যাঁরা আমাদের তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে তাঁদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেন এবং ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাওয়ার জন্য দিকনির্দেশনা দেবেন। তাঁদের অনুপ্রেরণামূলক কথাগুলো আমাদের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাই।’

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন