default-image

অনেক সময় আমরা রাতের আকাশে তারা খসে পড়তে দেখি। তারা খসে পড়াকে জোতির্বিদেরা বলেন উল্কাপাত। প্রতিবছরের ৬ থেকে ৩০ নভেম্বর সময়টাতে সাধারণত খালি চোখে এই উল্কাপাত দেখা যায়। এর মধ্যে ১৬ নভেম্বর দিবাগত রাতে সর্বাধিক উল্কাপাত দেখা যায়। রাত ২টার পর সর্বোচ্চ ১২ থেকে ৫০–এর অধিক উল্কা ঝরে পড়তে দেখা যায়। এটাকে বলা হয়, লিওনিড উল্কাপাত।

প্রতিবারের মতো এবারও লিওনিড উল্কাপাত পর্যবেক্ষণের আয়োজন করেছে জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চায় অন্যতম সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন।

বিজ্ঞাপন

গতকাল সোমবার বিকেল ৫টা থেকে রাজধানীর ১০০ ফিট মাদারী অ্যাভিনিউয়ে একটি প্রাচীরঘেরা বাগানবাড়িতে সীমিত আকারে লিওনিড উল্কাপাত পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। বর্তমান করোনা পরিস্থিতি এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক নিরাপত্তা মাথায় রাখে সীমিত আকারে পূর্বনিবন্ধিত নানা বয়সের ১০০ জন এই ক্যাম্পে অংশ নেন।

ক্যাম্পের পরিচালক রবিন ফকির বলেন, প্রতিবছর উল্কাপাত পর্যবেক্ষণের রাতে নানা আয়োজন থাকলেও এবার করোনার কারণে সীমিত আয়োজন করা হয়েছিল। বিকেল পাঁচটায় পূর্বনিবন্ধিত অংশগ্রহণকারীদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত টেলিস্কোপে বৃহস্পতি, শনি এবং মঙ্গল গ্রহ পর্যবেক্ষণ করেন অংশগ্রহণকারীরা।

default-image

রাত ৮টার দিকে মহাবিশ্ব নিয়ে আলোচনা করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র আরিফ আসগর। লিওনিড উল্কাপাত নিয়ে আলোচনা করেন বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মশহুরুল আমিন।

রাত ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত সংগীত পরিবেশন করে স্পন্দন এবং এফ মাইনর ব্যান্ড।

রাত ১২টায় ফানুস ওড়ানো ও ক্যাম্প ফায়ার করা হয়। এরপর রাত ২টা থেকে মঙ্গলবার ভোর ৬টা পর্যন্ত লিওনিড উল্কাপাত পর্যবেক্ষণ এবং ভোর ৫ থেকে ৬টা পর্যন্ত শুক্র ও বুধ গ্রহ পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়ে ক্যাম্পের সমাপ্তি ঘটে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0