default-image

সূর্যের ‘অবসরকাল’ চলছে এখন। এ কারণে নক্ষত্রটি এখন সবচেয়ে কম সক্রিয়। এই পরিস্থিতির নাম দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা ‘সোলার মিনিমাম’। তবে এতে ভয়ের কিছু নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন তাঁরা।

সৌরজগতের গ্রহগুলো নিজ নিজ কক্ষপথে স্থির থেকে আবর্তন করার ক্ষেত্রে মূল শক্তি হিসেবে কাজ করছে সূর্যই। পৃথিবী বাসোপযোগী আছে সূর্যের পর্যাপ্ত আলোকরশ্মি আর উষ্ণতার কারণেই। তবে এই নক্ষত্র সবসময় একইভাবে কাজ করে না। কখনো এর সক্রিয়তা বাড়তে বাড়তে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়, আবার কখনো তা কমতে কমতে চলে আসে ‘অবসরকালে’। বিজ্ঞানীরা বলছেন, সূর্যের সক্রিয়তা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায় প্রতি ১১ বছর পরপর।

তাই বলে অবসরকালে সূর্য একেবারে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় না। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সূর্য যখন সবচেয়ে সক্রিয় থাকে, সে সময় এর বহিরাবরণে অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি গাঢ় দাগ লক্ষ্য করা যায়। সূর্য থেকে শক্তির বিচ্ছুরণও হয় অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি। কিন্তু সোলার মিনিমামের সময় সূর্যের কার্যক্রম অনেকাংশেই শান্ত হয়ে আসে। ফলে সূর্যের বহিরাবরণে অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি গাঢ় দাগও কমে যায় অনেক। কমে যায় শক্তির বিচ্ছুরণও। এর জন্য অবশ্য কিছু সমস্যা হয়। তবে সেটা পৃথিবীর দৈনন্দিন জীবনে খুব একটা প্রভাব ফেলে না।

নাসার বিজ্ঞানীরা সূর্যের এবারের অবসরকালকে ‘গ্র্যান্ড সোলার মিনিমাম’ নাম দিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, এর আগে ১৬৫০ সাল থেকে ১৭১৫ সালের মধ্যে কোনো একসময় সূর্যের এবারের মতোই অবসরকাল এসেছিল। তার প্রভাবে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে সামান্য হলেও বরফযুগ ফিরে এসেছিল। এবার এমনটা হবে না। 

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0