বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অ্যালিস জানান, করোনা নিয়ে গত মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১ কোটি ২০ লাখ ভুল তথ্য সরিয়েছে ফেসবুক। ভুল তথ্য বিষয়ে ফেসবুকের তিনটি কৌশল রয়েছে: সরিয়ে ফেলা, কমানো ও অবহিত করা। এই কৌশলগুলোর অংশ হিসেবে তারা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ফ্যাক্ট চেকিংয়ের ব্যবস্থাও করে।

ফ্যাক্ট চেকিং নিয়ে অ্যালিস বলেন, সারা বিশ্বে ৬০টির বেশি ভাষায় ৮০টির বেশি নিরপেক্ষ তৃতীয় পক্ষের ফ্যাক্ট চেকারদের সঙ্গে ফেসবুক কাজ করছে। এশিয়া প্যাসিফিকের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, হংকং, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, কোরিয়া, তাইওয়ান, ভারত, ফিলিপাইন, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের দেশগুলোয় ফেসবুকের ফ্যাক্ট চেকার রয়েছে।

ফেসবুক জানায়, তারা কোনো একক সত্তায় বিশ্বাস করে না। সম্ভাব্য ভুল তথ্য শনাক্ত ও পর্যালোচনা করতে স্বাধীন ফ্যাক্ট চেকারগুলোর ওপর নির্ভর করে ফেসবুক, যা তাদের পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করে। ফ্যাক্ট চেকাররা যখন কোনো কনটেন্টকে মিথ্যা, পরিবর্তিত বা আংশিকভাবে মিথ্যা হিসেবে মূল্যায়ন করে; তখন ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের ফিডে প্রচার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়। যাতে কম মানুষের কাছে তা পৌঁছায়। এ ছাড়া ফেসবুক তার ব্যবহারকারীদের প্রাসঙ্গিক আরও তথ্য দেয়, যাতে তারা নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কী পড়বেন, বিশ্বাস করবেন এবং কী শেয়ার করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ফেসবুক এশিয়া প্যাসিফিকের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার ডেভেলপমেন্ট অ্যায় লো, এএফপির এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ফ্যাক্ট চেক টিমের প্রধান ক্যাট বার্টন ও ফ্যাক্ট ক্রিসেন্ডোর সহপ্রতিষ্ঠাতা রাহুল নাম্বুরি।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন