default-image

ক্ষতিকর বিষয়বস্তু শনাক্ত ও তা অপসারণের জন্য সামাজিক মিডিয়া সংস্থাগুলোর একটি বৈশ্বিক জোটের প্রস্তাব দিয়েছে টিকটক। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

টিকটক ইতিমধ্যে নয়টি সামাজিক যোগাযোগের কোম্পানির কাছে কনটেন্ট সম্পাদনার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক করার আহ্বান জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে।

বর্তমানে চীনের বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান টিকটক ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যকার রাজনৈতিক লড়াইয়ের কেন্দ্রে রয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার টিকটকের পক্ষ থেকে বলা হয়, নেটওয়ার্কিং অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে ভুল তথ্য থেকে শুরু করে তথ্য গোপনীয়তা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমালোচনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পৃথক কনটেন্ট পর্যালোচনার বিষয়টি যৌথ পদ্ধতিতে করা গেলে তা আরও কার্যকরভাবে সামনে এগিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

বর্তমানে চীনের বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান টিকটক ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যকার রাজনৈতিক লড়াইয়ের কেন্দ্রে রয়েছে।
বিজ্ঞাপন

টিকটকের পক্ষ থেকে অবশ্য তাদের চিঠি পাঠানো কোম্পানিগুলোর নাম বলা হয়নি। তবে তারা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিষয়টি আলোচনার জন্য একটি বৈঠক আয়োজন করেছে।

সামাজিক যোগাযোগের মাঠে অনেকটাই নতুন করে আবির্ভাব হওয়া টিকটকের ক্ষেত্রে কনটেন্ট সম্পাদনা নিয়ে সংগ্রাম করতে হয়েছে কম। সে তুলনায় ফেসবুক ও টুইটারের বিরুদ্ধে ভুয়া কনটেন্ট নিয়ে সমালোচনা অনেক বেশি।

মঙ্গলবার টিকটকের পক্ষ থেকে ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদন প্রকাশ করে বলা হয়, তাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে বছরের প্রথমার্ধে ১০ কোটি ৪০ লাখের বেশি ভিডিও সরানো হয়েছে। এসব ভিডিও তাদের নীতিমালা লঙ্ঘন করেছিল।

টিকটক আরও জানিয়েছে, টিকটক ব্যবহারকারী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের কাছে বিভিন্ন সরকারের পক্ষ থেকে আইনি অনুরোধ পাওয়ার হার বেড়ে গেছে।

এর মধ্যে ৪২টি দেশ বা মার্কেট থেকে ব্যবহারকারীর তথ্য চেয়ে ১ হাজার ৭৬৮টি অনুরোধ করা হয়। এর মধ্যে ১২১টি অনুরোধ সরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে ১৫টি ভিন্ন দেশের কনটেন্ট সরিয়ে ফেলার বা আটকে দেওয়ার। তবে টিকটকের পক্ষ থেকে অঞ্চলভিত্তিক সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। টিকটকের পক্ষ থেকে ১০ হাজার ৬২৫টি কপিরাইট করা কনটেন্ট সরানোর অনুরোধ পর্যালোচনা করা হয়েছে।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন