বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গুগলের ওই চার নারী কর্মীর আইনজীবী কেলি ডারমোডি ই-মেইলে সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গকে বলেন, ‘গুগল ও প্রযুক্তি খাতের নারী কর্মীদের জন্য আজ একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। পথ দেখানোর জন্য আমরা আমাদের সাহসী মক্কেলদের নিয়ে গর্বিত। মামলার পর অর্থ খরচের চেয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর যে নারীদের সম আয় নিশ্চিতে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত, এ নির্দেশনায় সেটিই পরিষ্কার হলো।’

ডারমোডি বলেছেন, পরবর্তী পদক্ষেপ হলো মামলার শুনানি। ২০২২ সালে শুনানি শুরু হতে পারে বলে তাঁর ধারণা।

বেতন ও বোনাসে সমতা নিশ্চিতের জন্য আট বছর ধরে কাজ করছে বলে জানিয়েছে গুগল। ই-মেইলে এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, ‘প্রস্তাবিত বেতনে কোনো বৈষম্য পেলে, নতুন শ্রমহার চালুর আগে আমরা সেটা সমন্বয় করি।’

গত বছর ২ হাজার ৩৫২ কর্মীর আয় পরে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে গুগল।

কেবল গুগল নয়, অনেক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানেই নারী কর্মীরা আয়বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। একাধিক মামলা করার চেষ্টা হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত রায় কর্মীদের পক্ষে যায়নি।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো মামলা ক্লাস অ্যাকশন হওয়ার জন্য ২০১১ সালে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট যে বিধান দেয়, তাতেই আটকে যায় অনেক মামলা। এর আগে ওয়ালমার্টের ১৫ লাখ নারী কর্মীর হয়ে ক্লাস অ্যাকশন মামলা লড়ার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল সে কারণেই। টুইটার ও মাইক্রোসফটের নারী প্রকৌশলীরাও আয়বৈষম্যের অভিযোগে ক্লাস অ্যাকশন মামলা করার চেষ্টা করে সফল হননি। শুনানি তো পরের ব্যাপার।

ওই চার নারী কর্মীর মামলার নথিতে বলা হয়েছে, একই দক্ষতার পুরুষ কর্মীদের তুলনায় নারীদের বার্ষিক প্রায় ১৬ হাজার ৭৯৪ ডলার করে কম দিয়েছে গুগল। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার অর্থনীতিবিদ ডেভিড নিউমার্কের বিশ্লেষণ উল্লেখ করা হয় সেখানে। বলা হয়, কর্মস্থল ও কাজের ধরন এক হলেও গুগল নারীদের বেসিক বেতন, বোনাস ও স্টক বোনাস কম দিয়েছে।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন