বিজ্ঞাপন

এরপর সে প্রতিষ্ঠান ২০০ ছাগল পাঠিয়ে দিল। সঙ্গে পাঠায় জেন নামের বর্ডার কলি জাতের দক্ষ এক কুকুর। ছাগলগুলোর কাজ হলো, গুগলপ্লেক্সের চারপাশের ঘাস নিয়ন্ত্রণে রাখা। আর ছাগলগুলো নিয়ন্ত্রণের ভার কুকুরটির।

তবে এত কাহিনি না করে লন মোয়ার, মানে ঘাস কাটার যন্ত্র ব্যবহার করলেই তো হতো। ড্যান হফম্যানও বুঝেছিলেন এর একটা ব্যাখ্যা দেওয়া দরকার। গুগল ব্লগে তিনি লিখেছিলেন, ‘উচ্চ শব্দের মোয়ার ব্যবহার না করে আমরা কিছু ছাগল ভাড়া করেছি। তা ছাড়া মোয়ার চলে গ্যাসোলিনে, বাতাস দূষিত করে। এর বদলে এক রাখাল প্রায় ২০০ ছাগল নিয়ে আসে। আমাদের সঙ্গে গুগলে সেগুলো ঘাস খেয়ে সপ্তাহখানেক কাটিয়ে দেয়।’

default-image

মাউন্টেন ভিউয়ের গুগলপ্লেক্সের চারপাশটা একসময় ঘাস আর ঝোপঝাড়ে পূর্ণ ছিল। নিয়মিত পরিচর্যা না করলে সেগুলো রীতিমতো জঙ্গলে পরিণত হতো। তা ছাড়া শুকনা ঝোপঝাড়ে আগুন ধরলে তা গুগলপ্লেক্সেও ছড়িয়ে পড়ার ভয় থাকে। আর সে কারণেই নিয়মিত পরিষ্কার করার কথা লিখেছিলেন হফম্যান। পরে মজা করে লেখেন, ‘লন মোয়ার ব্যবহার করলেও তো ওই একই খরচ হতো। তা ছাড়া মোয়ারের চেয়ে ছাগলগুলো দেখতেও বেশি আদুরে!’

তারপর থেকে নাকি গুগলপ্লেক্সের চারধারে বছরের নির্দিষ্ট সময় নিয়ম করে ছাগল চরতে দেখা যায়। তবে নির্ভরযোগ্য কোনো প্রতিবেদনে তেমনটা এখনো চোখে পড়েনি।

চত্বর পরিষ্কার রাখার জন্য কেবল গুগল নয়, সানিভেলের প্রধান কার্যালয়ে ঘাস ছোট রাখতে ছাগল ভাড়া করেছিল আরেক ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠান ইয়াহু। প্রতিষ্ঠানটি একবার লিখেছিল, ‘ছাগলগুলোর প্রতি আমাদের বেশ মায়া জন্মে গেছে। সেগুলো চলে যাওয়ার সময় বেশ দুঃখই লাগে।’

এখনো যদি মনে হয় আমরা মজা করছি, তবে পড়ে দেখতে পারেন ড্যান হফম্যানের ব্লগ পোস্টটি

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন