জিমি ওয়েলস কি পারবেন?

বিজ্ঞাপন
default-image

ফেসবুক ও টুইটারের ওপর বিরক্ত হয়ে গেছেন? যাঁরা এসব মাধ্যমের ওপর বিরক্ত, উইকিপিডিয়ার সহযোগী প্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়েলস তাঁদের ‘ডব্লিউটি: সোশ্যাল’ মাধ্যমটিতে স্বাগত জানাচ্ছেন। এটি নতুন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যাতে কোনো বিজ্ঞাপন দেখানো হবে না এবং ব্যবহারকারীর তথ্য বিক্রি করা হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তিনি।

‘ডব্লিউটি: সোশ্যাল’ মাধ্যমটিতে ফেসবুকের মতোই নিউজফিড থাকছে। ব্যবহারকারী এতে নিউজ বা অন্য কনটেন্ট শেয়ার করতে পারবেন। ফেসবুকের অ্যালগরিদম যেখানে স্পনসর করা কনটেন্টকে বেশি গুরুত্ব দেয় এবং বেশি এনগেজমেন্ট দেখায়, সেখানে ডব্লিউটি সর্বশেষ কনটেন্টটিকে বেশি প্রাধান্য দেবে। এ প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন বিভাগে যুক্ত হওয়ার পর সেখান থেকে কনটেন্টগুলো দেখতে পাবেন ব্যবহারকারী।

গত অক্টোবরে শুরু হওয়া ‘ডব্লিউটি: সোশ্যাল’ মাধ্যমটিতে ইতিমধ্যে ১ লাখ ৬০ হাজার ব্যবহারকারী হয়ে গেছে। সাইটটিতে বিনা মূল্যে অ্যাকাউন্ট করা গেলেও অ্যাকাউন্ট চালু হওয়ার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয়।

উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা বলছেন, সাইটটি চলবে ব্যবহারকারীর দান করা অর্থে।

জিমি বলেন, বিজ্ঞাপন থেকে মাধ্যমটিকে দূরে রাখতে চান তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজ্ঞাপন থাকায় সেখানে নিম্নমানের কনটেন্ট ভরা থাকে। ভালো কনটেন্ট রাখার লক্ষ্যেই তিনি নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন।

উইকিপিডিয়ার সহযোগী প্রতিষ্ঠাতা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর পুরোপুরি বিজ্ঞাপননির্ভর ব্যবসায়িক মডেল সমস্যা তৈরি করে। এতে গ্রাহক নিম্নমানের কনটেন্ট পোস্ট করে। ফেসবুক ও টুইটারের ক্ষেত্রে দেখা যায়, তাদের অ্যালগরিদম এমনভাবে তৈরি যে সবচেয়ে বেশি লাইক, কমেন্ট পাওয়া পোস্টগুলো সবার ওপরে দেখায়। ডব্লিউটি: সোশ্যাল এমন ব্যবস্থা করছে না। ফলে সর্বশেষ পোস্ট বা লিংকই তারা সবার ওপরে দেখাবে। তবে নতুন করে মাধ্যমটি একটি আপভোট বাটন রাখছে, যে বাটনে কেউ চাইলে মানসম্মত পোস্টটিকে ওপরে রাখতে সহায়তা করবে।

এর আগে ২০১৭ সালে ভুয়া খবর ঠেকাতে ‘উইকিট্রিবিউন’ নামে নতুন এক অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম চালুর কথা জানান মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়ার সহপ্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়েলস। পেশাদার সাংবাদিক ও স্বেচ্ছাসেবকদের কাজের সমন্বয়ে পরিচালিত হয় এ সংবাদমাধ্যম। বিজ্ঞাপনমুক্ত সাইটটিতে বিনা মূল্যে খবর পাওয়া যায়। আ উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের অধীনে এটিও উইকিপিডিয়ার মতো সমর্থকদের নিয়মিত অনুদানের ওপর নির্ভর করে চলে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন