default-image

বেশ কিছু অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলেছে টুইটার। সে তো প্রায়ই করে। তবে এবারের ঘটনা ভিন্ন। যে অ্যাকাউন্টগুলো মুছে ফেলা হয়েছে সেগুলো নকল; মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কৃষ্ণাঙ্গ সমর্থক হওয়ার ভান করছিল বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

অ্যাকাউন্টগুলো মুছে ফেলার কারণ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি বলছে, ‘স্প্যাম ও প্ল্যাটফর্ম ম্যানিপুলেশন’-এর নিয়ম ভেঙেছে তারা। মূল কথা হলো, অ্যাকাউন্টগুলো ভুয়া বলে তাদের সন্দেহের তালিকায় ছিল।

কীভাবে তা বুঝেছে, তা-ও জানিয়েছে টুইটার। অনেকগুলো অ্যাকাউন্টে একই বাক্য ব্যবহার করা হয়েছে। যেমন ‘হ্যাঁ, আমি কৃষ্ণাঙ্গ এবং আমি ট্রাম্পকে ভোট দেব।’

ঠিক কতগুলো অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলা হয়েছে কিংবা অ্যাকাউন্টগুলো কে বা কারা নিয়ন্ত্রণ করত, তা জানায়নি টুইটার। বলেছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড তারা নিয়মিত তদন্ত করে দেখছে এবং নিয়ম ভাঙলে হয়তো আরও অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধের তালিকায় আনা হবে। মার্কিন সংবাদপত্র ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’ প্রথম এ খবর প্রকাশ করে।

বিজ্ঞাপন
default-image

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্যের প্রসার নিয়ে গবেষণা করেন ড্যারেন লিনভিল। তিনি দুই ডজনের বেশি এমন অ্যাকাউন্ট খুঁজে পেয়েছেন। ওই অ্যাকাউন্টগুলো থেকে প্রায় ২ লাখ ৬৫ হাজারের মতো রিটুইট কিংবা কাউকে মেনশন করে পোস্ট দেওয়া হয়। কিছু অ্যাকাউন্টে কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। ওই ছবিগুলো এর আগে নানা সংবাদ প্রবন্ধে প্রকাশিত হয়েছে। কতগুলো অ্যাকাউন্টের তো হাজার হাজার অনুসারীও রয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে লিনভিল বলেছেন, বেশির ভাগ অ্যাকাউন্ট ২০১৭ সালে খোলা হয়। তবে গত দুই মাসে বেশি সক্রিয় হতে দেখা গেছে। যে অ্যাকাউন্টগুলো তিনি পর্যবেক্ষণ করছিলেন, তার সবই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে যে উদ্দেশ্যে সেগুলো সক্রিয় ছিল, তা সফল হয়েছে বলে জানান। কৃত্রিমভাবে কোনো তথ্য উপস্থাপন কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটিতে ‘ব্যবহারকারীদের খারাপ অভিজ্ঞতার জন্য দায়ী’ অ্যাকাউন্টগুলো নিষিদ্ধ করে থাকে টুইটার।

নির্বাচনের আগে আগে এমন উদ্যোগ নিল টুইটার। আগামী ৩ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। ফাইভথার্টিএইট নামের একটি ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের প্রায় ১০ শতাংশ ট্রাম্পকে সমর্থন করছেন।

মন্তব্য পড়ুন 0