বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

করোনা মহামারিতে তথ্যপ্রযুক্তির ওপর মানুষের নির্ভরশীলতা বোঝা গেছে উল্লেখ করে মো. আবদুল হামিদ বলেন, দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ খাত তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর। আইসিটি বিভাগের তৈরি করোনাভাইরাসের দেশে টিকা নিবন্ধনের সাইট সুরক্ষায় এ পর্যন্ত নিবন্ধন সাত কোটি ছাড়িয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সামনে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ জন্য আরও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে হবে। তাই সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

আজ থেকে শুরু হওয়া এ সম্মেলন চলবে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। আয়োজনটি অনলাইনেও হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি যেমন নানান সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে, তেমনি এর ব্যবহার করে অনেকে জালিয়াতি করায় নানান চ্যালেঞ্জও তৈরি হয়েছে। এসব দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের এগিয়ে যাওয়ার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ। ২০২৫ সালের মধ্যে আইসিটি খাতে ৫ বিলিয়ন ডলার আয় ও ৩০ লাখের বেশি কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, তরুণেরা যেন শুধু চাকরিমুখী না হয়ে নিজেরা উদ্যোক্তা হন, সে লক্ষ্যেও কাজ করা হচ্ছে। যাতে বাংলাদেশ একটি স্টার্টআপ জাতি হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

default-image

ডব্লিউসিআইটির এবারের প্রতিপাদ্য, ‘আইসিটি দ্য গ্রেট ইকুয়ালাইজার’। প্রতিমন্ত্রী প্রতিপাদ্যের প্রসঙ্গে বলেন, বাংলাদেশ সরকার একটি বৈষম্যমূলক সমাজ গড়ে তুলতে কাজ করছে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শহর-গ্রাম, ধনী-গরিব, নারী-পুরুষের বৈষম্য দূর হবে।

প্রযুক্তির ভালো দিক গ্রহণ করে খারাপর দিক প্রতিহত করার আহ্বান জানান জুনাইদ আহ্‌মদে। তিনি বলেন, সরকার ডেটা প্রটেকশন অ্যাক্ট এবং ডিজিটাল সার্ভিস অ্যাক্ট প্রণয়ন করবে। যেন স্বচ্ছতার সঙ্গে দ্রুত জনগণের হাতের মুঠোয় সেবা পৌঁছে যায়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুল মান্নান, উইটসার চেয়ারম্যান ইয়ানিস সিরোস, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) মোহাম্মদ শহীদ-উল-মুনীরসহ প্রমুখ।

আজ থেকে শুরু হওয়া এ সম্মেলন চলবে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। আয়োজনটি অনলাইনেও হবে। এ আয়োজনের পাশাপাশি এশিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলের আন্তর্জাতিক সম্মেলন অ্যাসোসিও ডিজিটাল সামিট ২০২১ অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সদস্যদের একটি নেতৃস্থানীয় কনসোর্টিয়াম উইটসা ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্বের ৮০টির বেশি দেশ তাদের সদস্য। উইটসার সদস্যরা বিশ্বের তথ্যপ্রযুক্তি বাজারের ৯০ শতাংশের বেশি প্রতিনিধিত্ব করে। ডব্লিউসিআইটি তাদের সিগনেচার ইভেন্ট।

ডব্লিউসিআইটিতে অংশ নিতে হলে https://www.wcit2021.org.bd/ সাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। এবারের আয়োজনে সেমিনার, মিনিস্টারিয়াল কনফারেন্স, বিটুবি সেশন থাকবে। এতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিশিষ্টি ব্যক্তিরা ভার্চ্যুয়ালি অংশ নেবেন।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন