default-image

দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ থাকা মানে নানা সুবিধা। কিন্তু এর উল্টো দিকও আছে। এর কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। ভালো ঘুমের সময়সীমা কমে যায়। সাম্প্রতিক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে বলে পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়।

গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে ‘জার্নাল অব ইকোনমিক বিহেভিয়র অ্যান্ড অর্গানাইজেশন’ সাময়িকীতে। ইতালির বোকোনি বিশ্ববিদ্যালয় ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা দ্রুতগতির ইন্টারনেটের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেন।

গবেষকেরা বলেছেন, ডিজিটাল সাবস্ক্রাইবার লাইন (ডিএসএল) সংযোগসুবিধার আওতায় থাকা ব্যক্তিরা এর বাইরে থাকা মানুষের চেয়ে কমপক্ষে ২৫ মিনিট কম ঘুমান। ডিএসএল হচ্ছে একধরনের প্রযুক্তি, যা বাড়ি ও ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে উচ্চ ব্যান্ডউইথের ইন্টারনেট সুবিধা দেয়।

গবেষকেরা বলেন, দ্রুতগতির ইন্টারনেটের কারণে ঘুমিয়ে সন্তুষ্টি আসে না বা ঘুমের সময় কম হয়। সকালে কাজ বা পারিবারিক প্রয়োজনে কাজের তাড়া থাকায় সময়ের স্বল্পতায় ভুগতে হয়।

বোকোনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ফ্রান্সেসকো বিলারি বলেন, সাধারণত বিজ্ঞানী সম্প্রদায় সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমানোর পরামর্শ দিলেও দ্রুতগতির ইন্টারনেট-সুবিধার আওতায় থাকা ব্যক্তিরা এর চেয়ে অনেক কম ঘুমান এবং তাঁদের ঘুম নিয়ে অসন্তুষ্টি থেকে যায়। তাঁরা সন্ধ্যায় বেশি করে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করেন বলে সকালে সময় পান খুব কম।

গবেষক বিলারি বলেন, ডিজিটাল প্রলোভনের ফাঁদে পড়ে অনেকেই দেরি করে ঘুমাতে যান। কিন্তু সকালে বেশি ঘুমিয়ে তা পুষিয়ে নিতে পারেন না। এতে অনেকের ঘুমের সময় কমে যাচ্ছে। কম্পিউটারে গেম খেলে, টিভি দেখে বা ভিডিও দেখে অনেকেই ঘুমের বারোটা বাজান। ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের মধ্যে ১৩ থেকে ৩০ বছর বয়সী ব্যক্তির সংখ্যা বেশি।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0