বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকায় হোয়াটসঅ্যাপের পাবলিক পলিসিবিষয়ক পরিচালক নিয়াম সুয়িনি মনে করেন, এভাবে হুট করে ব্যাপক হারে ব্যবহারকারী কমার কারণ সম্ভবত তাঁদের নীতিমালা হালনাগাদ। তিনি বলেছেন, সে হালনাগাদের কারণ মূলত দুটি। এক. ব্যবসায়িক যোগাযোগে নতুন সুবিধা চালু। দুই. প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যমান নীতিমালা পরিষ্কার করা। সুয়িনি বলেছেন, ফেসবুকের সঙ্গে তথ্য ভাগাভাগিতে কোথাও কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে লেখা ছিল, নতুন নীতিমালায় ব্যবহারকারীর বার্তা পড়ার সুযোগ পাবে হোয়াটসঅ্যাপ এবং সে তথ্য সরাসরি পৌঁছে যাবে হোয়াটসঅ্যাপের মূল প্রতিষ্ঠান ফেসবুকের কাছে। মজার কিংবা দুঃখের ব্যাপার হলো, সে পোস্ট সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেই।

ব্যবহারকারীর তথ্যের সুরক্ষার কথা যদি বলা হয়, তবে প্রতিদ্বন্দ্বী টেলিগ্রামের চেয়ে এগিয়েই থাকবে হোয়াটসঅ্যাপ। কারণ, অ্যাপটিতে ‘অ্যান্ড-টু-অ্যান্ড এনক্রিপশন’ সুবিধা আছে। এতে ব্যবহারকারীর পাঠানো বার্তা হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষের গোচরে আসার কথা না। অন্যদিকে টেলিগ্রামে সে সুবিধা কন্টাক্ট তালিকার প্রত্যেকের জন্য আলাদা করে চালু করে নিতে হয়।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন