default-image

আমাজনের পণ্য সরবরাহকেন্দ্র এবং গুদামের কর্মীরা ইউনিয়ন গড়তে চান কি না, তা ঠিক করতে নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষে যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামায় এখন চলছে ভোট গণনা। তবে গত রাত থেকে ইউনিয়নের বিপক্ষে বেশ কিছু পোস্ট দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে। পোস্টদাতারা নিজেদের আমাজনের কর্মী বলে দাবি করেন।

ওই অ্যাকাউন্টগুলোর বিপক্ষে এরই মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে টুইটার। অনেকগুলো অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলা হয়েছে। এদিকে আমাজনও অন্তত একটি অ্যাকাউন্ট নকল হিসেবে শনাক্ত করেছে বলে বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

বিবিসি বলছে, অ্যাকাউন্টগুলো তৈরি করা হয় মাত্র দিন কয়েক আগেই। সেগুলো থেকে হাতে গোনা যে কয়টি টুইট করা হয়েছে, সবই আমাজনের পক্ষে সাফাই গেয়ে।

একটি অ্যাকাউন্ট থেকে টুইট করা হয়, ‘ইউনিয়নের ব্যাপারে আমার সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ হলো, সেখানে নিয়মিত ফি না দিয়ে উপায় নেই।’ অথচ আলাবামা অঙ্গরাজ্যের আইনেই এর বিরোধিতা করা হয়েছে।

আরেকটি অ্যাকাউন্ট থেকে টুইটারে লেখা হয়, ‘কিছু প্রতিষ্ঠানের জন্য ইউনিয়ন ভালো, তবে আইনজীবীর জন্য আমি মাসে মাসে শত শত ডলার দিতে রাজি না!’

এদিকে টুইট করে ওই অ্যাকাউন্টগুলোর ভুল ধরিয়ে দেন মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রযুক্তি প্রতিবেদক ক্যারেন উইজ।

বিজ্ঞাপন

আমাজন অ্যাম্বাসেডর

এই ঘটনায় জড়িত অ্যাকাউন্টগুলোর বেশির ভাগের ইউজার নেম শুরু হয়েছে আমাজন এফসি দিয়ে, সঙ্গে আছে নামের প্রথম অংশ। এর আগে এমন ধরনের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করত আমাজন অ্যাম্বাসেডর বা প্রতিনিধিরা। তাঁরা আমাজনের কর্মী ছিলেন। টুইটারে আমাজনের পণ্য সম্পর্কে প্রচারের জন্য প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে অর্থ পেতেন।

আমাজনের একজন মুখপাত্র বিবিসিকে বলেন, ডারলা নামের অ্যাকাউন্টটির মালিক আমাজনের অ্যাম্বাসেডর কেউ নন। অন্যান্য অ্যাকাউন্টের ব্যাপারে অবশ্য আমাজনের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।

ওই মুখপাত্র আরও বলেন, ‘দেখে মনে হচ্ছে অ্যাকাউন্টটি ভুয়া, যা টুইটারের নীতিমালা ভঙ্গ করেছে । আমরা ব্যাপারটি খতিয়ে দেখে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে টুইটারকে অনুরোধ করেছি।’

ভুয়া অ্যাকাউন্ট

ভুয়া অ্যাকাউন্টের ব্যাপারে টুইটার সব সময় শক্তপোক্ত অবস্থান নিয়েছে । আমাজন অ্যাম্বাসেডরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটির নীতিমালার বাইরে নয়। যে অ্যাকাউন্টগুলো কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থাকার মিথ্যা দাবি করে, সেগুলোকে সাময়িক কিংবা প্রয়োজনে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারে টুইটার। তবে, হাস্য পরিহাসের জন্য অ্যাকাউন্ট খোলা হলে প্রোফাইলের বিবরণের ঘরে (বায়ো) তা পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করতে হবে।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন