default-image

ধনীদের তালিকায় জেফ বেজোসকে পেছনে ফেলেছেন কয়েক দিন আগে। করোনাকালে সম্পদ বৃদ্ধি পাওয়ায় শীর্ষস্থানে গেছেন তিনি। ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার ইনডেক্সের তথ্য অনুযায়ী মার্কিন গাড়ি তৈরির প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ এখন ২০ হাজার ৯০০ কোটি ডলার। সূর্যের কক্ষপথে গাড়ি পাঠানোর জন্যও বিশ্বজুড়ে পরিচিত ইলন মাস্ক। এই ইলন মাস্ক সমালোচনা করেছেন সিকিউরড এনক্রিপ্টেড যোগাযোগমাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপের জন্য সম্প্রতি তৈরি করা ফেসবুকের গোপনীয়তা নীতির। ব্যবহারকারীদের মাস্ক পরামর্শ দিয়েছেন এখন থেকে এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপ ‘সিগন্যাল’ ব্যবহারের।

গত বৃহস্পতিবার ইলন মাস্ক টুইট করেন ‘সিগন্যাল’ ব্যবহারের জন্য। এরপর সেই টুইটটি রিটুইট করেন টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জ্যাক ডরসি। এর কিছুক্ষণ পরেই সিগন্যালের পক্ষ থেকেও টুইট করা হয়।

বিজ্ঞাপন

এই আগে ইলন মাস্ক গোপনীয়তা নীতি নিয়ে ফেসবুকের সঙ্গে প্রকাশ্যে বিবাদে জড়িয়েছিলেন। ২০১৮ সালে তিনি নিজের ব্যক্তিগত পেজ থেকে শুরু করে তাঁর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান টেসলা এবং স্পেসএক্সের পেজ ও সরিয়ে ফেলেছিলেন ফেসবুক থেকে।

এনক্রিপ্ট করা উভয় মেসেজিং অ্যাপেই বছরের পর বছর ধরে নিরাপত্তা বাগ খুঁজে পাওয়া গেছে, যা সমাধান করা হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপের নতুন গোপনীয়তা নীতিমালা থেকে ফেসবুকের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদানসংক্রান্ত একটি অনুচ্ছেদ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। আর তাতেই গণমাধ্যম ও ব্যবহারকারীরা সন্দেহ করছেন, হোয়াটসঅ্যাপ তার পুরোনো নীতিমালা থেকে সরে এসেছে। গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়টি আর গুরুত্ব পাচ্ছে না।

মুছে ফেলা অনুচ্ছেদে লেখা ছিল, ‘আপনি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী হয়ে থাকলে ফেসবুকের সঙ্গে তথ্য ভাগাভাগি না করার বিষয়টি বেছে নিতে পারেন।’

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ২০১৬ সাল থেকেই তারা ব্যবহারকারীদের যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের অভিজ্ঞতা সহজ করে তুলতে ফেসবুকের সঙ্গে তথ্য শেয়ার করে আসছে। নতুন করে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। যে অনুচ্ছেদটি মুছে ফেলার কথা বলা হচ্ছে, তা ২০১৬ সালের নীতিমালা পরিবর্তনেরই প্রতিফলন মাত্র।

অন্যদিকে, ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা আরও জোরদার করতে সিগন্যাল এখনো নিত্যনতুন বৈশিষ্ট্য যোগ করে যাচ্ছে। সিগন্যাল প্রচলিত একটি ওয়ান-ট্যাপ ইনস্টল অ্যাপ, যা গুগলের প্লে স্টোর ও অ্যাপলের অ্যাপ স্টোরে পাওয়া যায়। সিগনালও অন্য সব অ্যাপের মতোই সাধারণ টেক্সট মেসেজিং অ্যাপ হিসেবে কাজ করে। সিগনাল একটি ওপেন সোর্স ডেভেলপমেন্ট, যা অলাভজনক সংস্থা সিগন্যাল ফাউন্ডেশন বিনা মূল্যে প্রদান করে। তথ্যসূত্র: টুইটার, সিনেট, ব্লুমবার্গ

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন