বিজ্ঞাপন

মরিসন যোগ করেছেন, ভারত, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রপ্রধানেরা অস্ট্রেলিয়ার প্রস্তাবিত আইনে ফেসবুকের প্রতিক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

এদিকে কানাডার ঐতিহ্যমন্ত্রী স্টিভেন গিলবো গত বৃহস্পতিবার বলেছেন, তাঁর দেশ আসন্ন মাসগুলোতে অস্ট্রেলিয়ার পথ অনুসরণ করবে।

মরিসনের সঙ্গে সুর মিলিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বিরোধী দলের নেতা অ্যান্থনি আলবানিজ। তিনি বলেছেন, সাংবাদিকতা টিকিয়ে রাখতে হলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থ পরিশোধের ব্যাপারটা মেনে নিতে হবে ফেসবুককে। সংবাদের ওপর ফেসবুকের নিষেধাজ্ঞা বরং প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুণ্ন করবে বলেও জানান তিনি।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে আজ শনিবার বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ফেসবুকের মতবিরোধ তাদের দুই পক্ষের ব্যক্তিগত ব্যাপার বলে মনে করছে তারা।

গুগল শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার প্রস্তাবিত আইনের প্রতিবাদে দেশটি থেকে ব্যবসা গুটিয়ে চলে যাওয়ার কথা বললেও বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এরই মধ্যে বৈশ্বিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় ফেসবুকে সংবাদ শেয়ার করার সুযোগ বন্ধ করে দিলে অস্ট্রেলীয় সংবাদ পোর্টালগুলোতে আগের চেয়ে ১৩ শতাংশ কম মানুষ প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান চার্টবিট।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন