বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইসরায়েলের স্বেচ্ছাসেবী জরুরি সেবাদাতা সংগঠন যাকা পর্যন্ত এ নিয়ে টুইট করেছে। লিখেছে, ‘দুশ্চিন্তা করো না, আমরা দেখছি।’

আরেক টুইটার ব্যবহারকারী লেখেন, সব হিব্রু ভাষাভাষীদের হাসার উপলক্ষ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

অবশ্য ব্র্যান্ড নাম পরিবর্তনের পর কেবল ফেসবুককে নিয়েই ঠাট্টা হয়নি, এ তালিকায় রয়েছে আরও প্রতিষ্ঠানের নাম।

default-image

‘নিজের আঙুল খেয়ে ফেলুন’

আশির দশকে চীনে ব্যবসা শুরু করে ফাস্টফুড বিক্রেতা কেএফসি। তাদের স্লোগান ‘ফিঙ্গার লিকিন গুড’ স্থানীয় লোকজন ভালোভাবে তা নেননি। মান্দারিন ভাষায় সেটির অর্থ দাঁড়ায় ‘নিজের আঙুল খেয়ে ফেলুন।’

তাতে অবশ্য প্রতিষ্ঠানটির খুব বেশি ক্ষতি হয়নি। এখন দেশটির বড় ফাস্টফুড চেইনগুলোর একটি কেএফসি।

‘বিষ্ঠা’

ব্রিটিশ বিলাসবহুল গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রোলস রয়েস তাদের ‘সিলভার মিস্ট’ গাড়ির নাম পরিবর্তন করেছিল, কারণ, জার্মান ভাষায় ‘মিস্ট’ অর্থ বিষ্ঠা। পরে গাড়িটির নাম রাখা হয় ‘সিলভার শ্যাডো’।

default-image

২০১১ সালে নকিয়া যখন ‘লুমিয়া’ ব্র্যান্ডের ফোন বাজারে নিয়ে এল সেটি আশানুরূপ সাড়া ফেলতে পারেনি। স্প্যানিশে পতিতার সমার্থক লুমিয়া।

জাপানি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হোন্ডাকে সেদিক থেকে ভাগ্যবান বলা যেতে পারে। নতুন সিরিজের গাড়ির নাম তারা ‘ফিত্তা’ রাখতে চেয়েছিল। সুইডিশসহ অনেক ভাষায় শব্দটিকে অশ্লীলভাবে উপস্থাপন করা হয়।

তবে দ্রুত সমস্যাটি শনাক্ত হওয়ায় পরে বেশির ভাগ দেশে গাড়িটির নাম রাখা হয় জ্যাজ।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন