default-image

গ্যালাক্সি এস সিরিজে নতুন ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন আনছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। তবে এবারের নতুন স্মার্টফোনগুলো আগেভাগেই আনতে পারে প্রতিষ্ঠানটি। চীনা স্মার্টফোন নির্মাতা হুয়াওয়ের বাজার দখল করার পাশাপাশি মার্কিন প্রতিষ্ঠান অ্যাপলকে ছাড়িয়ে যেতেই এ প্রচেষ্টা চালাবে প্রতিষ্ঠানটি। তিনটি সূত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

চীনের স্মার্টফোন নির্মাতা হুয়াওয়ে বিশ্বের শীর্ষ স্মার্টফোন নির্মাতার স্থানটি একবার দখল করেছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ে হুয়াওয়ে এখন টিকে থাকার লড়াই চালাচ্ছে। স্মার্টফোনে ব্যবহৃত মার্কিন চিপ ও অন্যান্য প্রযুক্তি পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে হুয়াওয়ের জন্য।

বিজ্ঞাপন

দক্ষিণ কোরিয়ার চিপ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা আশা করছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে জো বাইডেন নির্বাচিত হওয়ায় এ শিল্পে নিষেধাজ্ঞা শিথিল হতে পারে। কিন্তু এ বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। সম্ভাব্য নতুন মার্কিন প্রশাসন চীনের বিরুদ্ধে আরও কড়া অবস্থানও নিতে পারে।

ধারণা করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারি মাসের পরিবর্তে এবার জানুয়ারিতেই এস২১ মডেলের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন বাজারে আনার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে স্যামসাং। গত বছরে এস২০ মডেলটি মার্চ মাসে ঘোষণা দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।

স্যামসাং কর্তৃপক্ষ অবশ্য নতুন স্মার্টফোন নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলেনি।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্যানালিসের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের এপ্রিল থেকে জুন এ তিন মাসে গ্যালাক্সি এস২০ সিরিজের ৫জি মডেলটি ৫৯ শতাংশ কম যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এনেছে স্যামসাং। অ্যাপল সে তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি আইফোন ১১ বাজারে এনেছে।

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে স্মার্টফোনের বাজারে শীর্ষস্থান হারিয়েছিল স্যামসাং। কিন্তু বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে এসে আবার তা দখল করে নিয়েছে। চিপ সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত একটি সূত্র জানিয়েছে, হুয়াওয়ের সংগ্রহে থাকা চিপসেট আগামী বছরের শুরুতেই যেকোনো সময় ফুরিয়ে যাবে।

অবশ্য স্মার্টফোনের বাজারে স্যামসাংকে চীনা স্মার্টফোন নির্মাতা শাওমি ও অপোর সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে। হুয়াওয়ের নিষেধাজ্ঞার সুযোগে শাওমি ও অপো বাজারে ভালো অবস্থানে চলে এসেছে।

গত অক্টোবর মাসে অ্যাপল নতুন আইফোন সিরিজ উন্মুক্ত করেছে। সাধারণত সেপ্টেম্বরে নতুন আইফোন বাজারে ছাড়ে অ্যাপল। এবার করোনো মহামারির কারণে এক মাস পরে নতুন আইফোন বাজারে ছেড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে স্মার্টফোনের বাজারে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয়েছে।

মন্তব্য পড়ুন 0