বিজ্ঞাপন

ইনস্টাগ্রামেও এ ধরনের স্টোরি এক্সপ্লোর ও হ্যাশট্যাগ পেজগুলোতে ফিল্টার করে দেখাবে এবং তা ফিডের নিচের দিকে থাকবে। যদি কোনো পেজ বা ডোমেইন বারবার ভুয়া খবর শেয়ার করে, তাহলে তার পোস্ট ডিস্ট্রিবিউশন কমে আসবে এবং তাদের পেজের মনিটাইজেশন ও বিজ্ঞাপনগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে।

ফেসবুক আরও জানিয়েছে, এ ছাড়া ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামে থাকা যেসব কনটেন্টকে ভুয়া কিংবা সত্য থেকে কিছুটা পরিবর্তিত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, সেগুলোর ওপরে বিশেষ লেবেল দেওয়া হয় যাতে করে ব্যবহারকারীরা নিজেরাই ঠিক করতে পারেন তাঁরা কী পড়বেন, বিশ্বাস করবেন এবং শেয়ার করবেন। ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত অসত্য ও বানোয়াট ছবি, ভিডিও এবং স্টোরির ওপরের অংশে লেবেলটি প্রদর্শিত হয়। এ ছাড়া ফ্যাক্ট-চেকাররা কী যাচাই করেছে, তার লিঙ্কও দেওয়া থাকে।
ফেসবুকের গ্লোবাল ফ্যাক্ট-চেকিং প্রোগ্রাম ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয়। বর্তমানে এই তথ্য যাচাই প্রক্রিয়ায় ৮০টির বেশি পার্টনার ৬০টির অধিক ভাষায় কনটেন্টের ফ্যাক্ট চেক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ফেসবুক এশিয়া-প্যাসিফিকের নিউজ পার্টনারশিপের পরিচালক অঞ্জলি কাপুর বলেন, ভুয়া খবর শেয়ার করা প্রতিরোধে ফেসবুকের চলমান প্রচেষ্টার একটি অংশ হিসেবে এএফপি এবং ফ্যাক্ট ওয়াচের সঙ্গে এই পার্টনারশিপ। বাংলাদেশে তথ্যসচেতন সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে ফেসবুক আশাবাদী।
ফেসবুকে তৃতীয় পক্ষের ফ্যাক্ট চেকিং প্রোগ্রাম সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে দেখুন:
https://www.facebook.com/journalismproject/programs/third-party-fact-checking

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন