default-image

দশকের পর দশক ধরে চোরা শিকার এবং আবাস ধ্বংসের কারণে বিশ্বজুড়ে বাঘের সংখ্যা নিয়মিত কমছে। বাঘ রক্ষার লক্ষ্যে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ১৩টি দেশ গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করতে রাজি হয়েছে। নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে এক সম্মেলনে গত শুক্রবার এ ব্যাপারে চুক্তি সম্পাদিত হয়
বাঘের বিচরণ এলাকা
আনুমানিক সংখ্যা
৩২০০
চীন
রাশিয়া
উপ-প্রজাতি
আমুর
সাইবেরিয়ান
৪৫০*

নেপাল
ভারত
বেঙ্গল টাইগার
১৮৫০

বাংলাদেশ
ভুটান
লাওস
থাইল্যান্ড
ইন্দোচীনা
৩৫০
কম্বোডিয়া
ভিয়েতনাম
মালয়েশিয়া
মালয়ান
৫০০
ইন্দোনেশিয়া
সুমাত্রান
৪০০
*সাম্প্রতিক বছরগুলোর আনুমানিক হিসাব
মিয়ানমার
বিশ্বে বাঘের শরীরের বিভিন্ন অংশের যত চোরাচালান হয়, তার আনুমানিক তিন ভাগের এক ভাগই মিয়ানমার দিয়ে সম্পন্ন হয়
বিশ্বের মোট বাঘের ৯৫ শতাংশেরও বেশি বিংশ শতাব্দী শুরুর পর থেকে হারিয়ে গেছে
আবাস ধ্বংস
 মণ্ড, কাগজ ও পাম অয়েল উৎপাদনের জন্য বনভূমি উজাড়
 বাঁধ, সড়ক প্রভৃতি নির্মাণের জন্য বাঘের বাসস্থান বিপর্যয়
 জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ম্যানগ্রোভ বন ধ্বংস
বাঘ চোরাচালান
২০০০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত এশিয়ায় বাঘের ১১টি বিচরণক্ষেত্র থেকে জব্দ করা অবৈধ জিনিসপত্র নিয়ে জরিপ**
 ৪৮১টি চালান আটকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বনিম্ন ১০৬৯ এবং সর্বোচ্চ ১১২০টি বাঘ হত্যা করা হয়েছে
খুলি ৪৯
পাঁজর ১
চামড়া ১২৬
মাথা

দাঁত
১১৮
চোয়ালের হাড়
১০
পা ৪
নখর ১৩১৩
পুরুষাঙ্গ ৫
থাবা
১৬
লেজ

বাঘের শরীরের দামি অংশগুলো
 লোমসহ চামড়া
প্রতিটি ১৬০০০ ডলার পর্যন্ত দামে বিক্রি হয়
 হাড়
ঐতিহ্যবাহী ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়
 পুরুষাঙ্গ
পুরুষের যৌনসামর্থ্য বৃদ্ধিতে কাজে লাগে বলে ধারণা করা হয়
পূর্ণ অংশ
চামড়া
৪৮০মৃত
১৯৭
জীবন্ত
৬৬
কঙ্কাল ৫২
প্রতিকৃতি ১
** ভারত, চীন, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, রাশিয়া, লাওস, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার
সূত্র: আইইউসিএন/এএফপি

বিজ্ঞাপন
প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন