বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর মানে বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে সম্ভাবনা দেখছেন আপনি? এর উত্তরে ইয়াসির আজমান বলেন, ‘অবশ্যই। আমরা একসময় তরুণ ছিলাম। দেশের জন্য কিছু না কিছু করার চিন্তা করেছি। এখনকার তরুণদের জন্য সুযোগ অনেক বেশি। প্রযুক্তি একটি বড় সহায়ক। তরুণেরা এখন নিমেষেই বড় সমস্যা প্রযুক্তি দিয়ে সমাধান করে দিচ্ছে।

বাংলাদেশের তরুণেরাই তো বিশ্ব গণিত অলিম্পিয়াড, রোবট অলিম্পিয়াডে সেরা হচ্ছে। আমি তো বলব আমাদের তরুণদের অপার সম্ভাবনা বিশ্ব জয়ের। আমার বিশ্বাস, একটু দিকনির্দেশনা পেলে, সুযোগ পেলে তারা যেকোনো কিছু করতে পারবে।’
তরুণদের সঙ্গে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সাক্ষাৎ করা, তাদের কথা শোনা, অভিজ্ঞতা বিনিময়ে আসলে লাভ হচ্ছে কি? গ্রামীণফোনের সিইও বলেন, ‘এখানে লাভ কতটা হিসাব নেই।

তবে আমি যত তরুণদের সঙ্গে মিশেছি, একটি বিষয় দেখেছি, তারা প্রত্যেকেই অদম্য। তাদের মধ্যে স্বপ্ন দেখার শক্তি আছে এবং সেটাকে বাস্তবায়ন করার ক্ষমতাও তারা রাখে। তারা যা ভাবে, তা হয়তো আমরা অনেকেই ভাবি না। পার্থক্যটা সেখানেই। তবে অনেকের হয়তো তেমন সুযোগ নেই। একটি ভালো আইডিয়া নিয়ে কোথায় যাবে, নিউ নরমালে ক্যারিয়ার কেমন হবে, নেতৃত্বের গুণাবলি কী? সফলতার জন্য কিছু বেসিক শৃঙ্খলা। আমরা চেষ্টা করছি বিশিষ্টজনদের সঙ্গে সেগুলো শেয়ার করতে। যেটি আগে বলেছিলাম, বাস্তব জীবন থেকে শিক্ষা নেওয়া অনেক বেশি কাজে আসে, যেটি হয়তো একাডেমিক বইয়ে তেমন থাকে না।’

ফেসবুক পেজে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন ইয়াসির আজমান। সাকিবের সঙ্গে বিশেষ কিছু হচ্ছে কি না? এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে এটি গোপনই থাক। সাকিব বাংলাদেশের গর্ব। আমরা কিছু একটা করেছি, যেটা আপনার শিগগিরই দেখতে পাবেন। আমার ফেসবুক পেজে আসবে খুব শিগগির।’

এটা থেকে বোঝা যাচ্ছে তরুণদের জন্য নতুন কিছু আসছে। একটু বিস্তারিত কি বলা যায়? দুই বছর গ্রামীণফোনের সিইওর দায়িত্ব পালন করা ইয়াসির আজমান বলেন, ‘এখানে শুধু তরুণ নয়। এখানে আমরা নতুন প্রযুক্তির সম্ভাবনা, বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সফলতা, ব্যর্থতা, নেতৃত্ব, বিশ্ববাজার, উদ্ভাবন, অনেক কিছু নিয়েই কথা বলব।

প্রোগ্রামটির নাম “আগামীর বাংলাদেশ”। ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও স্বনির্ভর দেশ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে আমরা সবাই কাজ করছি, যেখানে আমাদের আজকের তরুণেরা প্রযুক্তিনির্ভর সমাজব্যবস্থার নেতৃত্ব দেবে। আগামী বাংলাদেশ কেমন হবে, নতুন কী প্রযুক্তি আসবে, এসব নিয়ে নানা সমস্যা সমাধানে তরুণদের ইনোভেশন এবং সাফল্যের গল্পগুলোসহ নানা বিষয় থাকবে “আগামীর বাংলাদেশ”-এ। এটি একটি অনলাইন শো। প্রচারিত হবে আমার ফেসবুক পেজ থেকে।’

পাঠক বা তরুণদের উদ্দেশে গ্রামীণফোনের সিইও বলেন, ‘আমি জানি এখনকার তরুণেরা অনেক কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই কঠিন সময়কে কাজে লাগাতে হবে। এখানে সময়টা শিক্ষণীয় কাজে ব্যয় করা যেতে পারে। আমি বলব আমাদের তরুণদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। তাদের ভাবনাগুলো, স্বপ্নগুলো শোনা খুবই জরুরি। তরুণদের কাছ থেকেই আসবে কেমন হবে আগামীর বাংলাদেশ।

পাশাপাশি আমরা বিভিন্ন সাবজেক্ট ম্যাটার এক্সপার্টসদের কাছ থেকে তাদের অভিজ্ঞতার কথা শুনব, আমি মনে করি, যেগুলো সবাইকে অনুপ্রেরণা দেবে। দেশের জন্য কাজে সব সময় যেমন সবার আগে ছিল ভবিষ্যতেও থাকবে। তরুণ ও পাঠকদের “আগামীর বাংলাদেশ” দেখার আমন্ত্রণ রইল। দেখা হবে শিগগিরই।’

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন