default-image

টেসলারের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের অঢেল সম্পদের সমালোচনা করেন মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। সে সমালোচনার জবাব দিয়েছেন মাস্ক। বলেছেন, মানবসেবায় নিজের সম্পদ ব্যয় করবেন।

টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে ইলন মাস্ক লেখেন, ‘আমি সম্পদ আহরণ করছি গ্রহে গ্রহে জীবনের অস্তিত্ব ছড়িয়ে দিতে। দূর নক্ষত্রে পৌঁছে দিতে চাই চেতনার আলো।’

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষের একজন তিনি। শীর্ষ ধনীদের তালিকায় আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের সঙ্গে স্থান বিনিময় করতে দেখা যায় মাঝেমধ্যে। এদিকে আইনপ্রণেতারা বিলিয়নিয়ারদের জন্য উচ্চ কর কাঠামোর প্রস্তাব করেছেন। সম্পদের পরিমাণের তুলনায় করের ‘ন্যায্য হিস্যা’র কথা বলছেন তাঁরা।

সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স গত বৃহস্পতিবার টুইটারে লেখেন, ‘আমরা আমেরিকার ইতিহাসের এমন এক মুহূর্তে আছি, যখন কেবল দুটি মানুষ, ইলন মাস্ক ও জেফ বেজোসের সম্পদের পরিমাণ বিশ্বের কম সম্পদশালী ৪০ শতাংশ মানুষের চেয়ে বেশি।’

ভার্মন্ট অঙ্গরাজ্যের সিনেটর সঙ্গে যোগ করেছেন, এমন লোভ আর অসমতা কেবল অনৈতিক নয়, এটা অস্থিতিশীল।

বিজ্ঞাপন

ক্লিন টেকনিকা নামের একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নিবন্ধে বার্নি স্যান্ডার্সের মন্তব্যকে ‘হাস্যকর’ উল্লেখ করা হয়। টুইটারে সে নিবন্ধের পোস্টের উত্তরে মাস্ক লেখেন, তিনি মানুষের জীবনকে ‘মাল্টিপ্ল্যানেটারি’ অর্থাৎ একাধিক গ্রহে বসবাসের উপযোগী করতে চান।

ইলন মাস্ক কেবল টেসলার নয়, মহাকাশ ভ্রমণ প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সেরও প্রধান। গত বছর তিনি বলেছিলেন, ২০৫০ সালের মধ্যে ১০ লাখ মানুষকে মঙ্গলে পাঠাতে চান। লাল গ্রহে নতুন অনেক কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথাও বলেন তিনি। আর ২০২৬ সালের মধ্যে প্রথম নভোযান মঙ্গলে অবতরণ করবে বলে বিশ্বাস করেন। বিশেষজ্ঞরা অবশ্য তা নিয়ে কিছুটা সন্দিহান।

default-image

গত সপ্তাহে স্যান্ডার্স এক টুইটে জেফ বেজোসের সম্পদ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। এরপর সিনেট বাজেট কমিটির শুনানিতে গত বুধবার সকালে মাস্ক ও বেজোস—দুজনের প্রসঙ্গই তোলেন। স্যান্ডার্স বলেন, ‘বেজোস ও মাস্ক এখন তালিকার নিচের ৪০ শতাংশের চেয়ে বেশি সম্পদশালী। এদিকে বিগত দশকগুলোর মধ্যে এখন আমরা আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষুধার্ত মানুষ দেখছি।’

সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন