বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চায়না সেন্ট্রাল টেলিভিশনের (সিসিটিভি) প্রতিবেদনে বলা হয়, মহাকাশে বাতিল কৃত্রিম বস্তুগুলো নতুন অভিযান পরিচালনায় সমস্যা তৈরি করে। চীনের স্যাটেলাইটটি ‘সে আবর্জনা সরিয়ে ফেলার প্রযুক্তি পরীক্ষা’ করে দেখবে। নভোযান ও স্যাটেলাইটের নকশা, তৈরি এবং উড্ডয়নের সঙ্গে যুক্ত চীনা রাষ্ট্রমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান চায়না অ্যারোস্পেস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি করপোরেশন এর সঙ্গে যুক্ত করেছে, উড্ডয়ন ‘সম্পূর্ণ সফল’। কারণ, স্যাটেলাইট নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছেছে। তবে কোন কক্ষপথে, তা বলেনি।

উড্ডয়নের ভিডিও দেখা যাবে এখানে

মহাকাশের পরিত্যক্ত কৃত্রিম বস্তু কমানো কিংবা সে কাজে প্রযুক্তি উদ্ভাবনের আহ্বান এখন বিশ্বব্যাপী। এর মধ্যেই অভিযান পরিচালনা করল চীন। দেশটির সে স্যাটেলাইট যেহেতু সাধারণ কাজের পাশাপাশি সামরিক কাজেও ব্যবহারের যোগ্য, তাই স্বাভাবিক কারণেই চীনের বাইরেও অন্যান্য রাষ্ট্র স্যাটেলাইটটিতে নজর রাখতে চাইবে। কারণ, একই প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের স্যাটেলাইট বিকল করে দেওয়ার সক্ষমতা সেটির আছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে চীনের নিয়ন্ত্রণহীন রকেট পৃথিবীতে এসে পড়লে দেশটির মহাকাশ অভিযান সমালোচনার মুখে পড়ে। সেটির রকেট অংশটি বিচ্ছিন্ন হয়ে ভারত মহাসাগরে পড়ায় মানুষের কোনো ক্ষতি হয়নি ঠিকই, তবে ১৮ টনের সে রকেট কোথায় এসে পড়বে, তা নিয়ে সে সময় বেশ দুশ্চিন্তায় দিন কাটিয়েছিল এশিয়ার মানুষ।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন