default-image

বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স (এআই) ব‌্যবহৃত হচ্ছে। সংগীতজগতেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ছোঁয়া লাগছে। মৃত অনেক শিল্পীর গান নতুন করে তৈরি করতে ব‌্যবহৃত হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট দ‌্য ভার্জ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা পরীক্ষাগার ওপেনএআই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে সংগীত রচনা করার কাজ করছে। তারা এতে মৃত শিল্পীদের গান নতুন করে তৈরি করতে পারছে।


ভার্জ জানিয়েছে, ওপেনএআইএ যেকোনো বিদ্যমান স্টাইল অনুকরণে গান তৈরি করতে পারে যদিও এর গানের কথা রচনার জন্য মানুষের সহায়তা প্রয়োজন। ওপেনএআই নতুন জেনারেটিভ মডেল প্রকাশ করেছে যা জুকেবক্স নামে সংগীত তৈরি করতে সক্ষম। এটি প্রযুক্তিগত দিক থেকে চিত্তাকর্ষক হলেও ভাবগত দিক থেকে তা পরিচিত বলে মনে হয়। জুকবক্সে বাদ্যযন্ত্রের স্কোরের চেয়ে সাউন্ড ফাইলগুলোকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় যার আউটপুট হিসেবে একটি সাউন্ড স্ট্রিম পাওয়া যায়। অবশ‌্য জুকবক্স প্রস্তুতকারকেরা বলেন, মানুষের তৈরি সংগীতের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি এসব সংগীতে বিশাল পার্থক‌্য থাকে।


ওপেনএআই-এর ব্লগ পোস্ট অনুসারে, গবেষকরা কাজের ক্ষেত্র হিসেবে সংগীত পছন্দ করেছেন কারণ এটি তৈরি করা কঠিন। পরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি এসব ফলাফলকে সংগীত হিসেবে তুলে ধরার বিষয়ে তারা সংশয়ে ছিলেন। তবে স্বীকৃত কর্ড, মেলোডি ও কথা যখন তারা শনাক্ত করার মতো ফল পেলেন তখন তারা একে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি সংগীত হিসেবে তুলে ধরেছেন।


অবশ‌্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব‌্যবহার করে তৈরি এসব সংগীত নিয়ে সমালোচনাও হচ্ছে। লেখক এবং পডকাস্টার চেরি হু টুইটারে উল্লেখ করেছেন, ওপেনএআই-এর এই নতুন সরঞ্জামটি বড় বড় তারকাদের স্টাইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গান ও গানের উত্স তৈরি করে । তাদের ভয়েসগুলোর প্রতিলিপি তৈরি করে। এটি কেবল প্রযুক্তিগতভাবে আকর্ষণীয় এবং চিত্তাকর্ষকই নয় কপিরাইট আইনের ক্ষেত্রে ভীতিজাগানিয়া।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0