বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই গবেষকদের কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে ক্যানন। ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি ৪০টি ‘ইএফ ৪০০এমএম এফ/২.৮এল আইএস টু ইউএসএম’ মডেলের লেন্স সরবরাহ করেছিল। পরে তা ৪৮ লেন্সের টেলিস্কোপে উন্নীত করা হয়। প্রতিটিতে ২৪টি করে দুটি মাউন্টে এই লেন্সগুলো যুক্ত আছে। সে থেকে ওই গবেষকেরা মহাকাশের চমৎকার সব ছবি তুলছেন, অনুজ্জ্বল ছায়াপথ শনাক্ত করে চলেছেন। ২০১৬ সালে এই টেলিস্কোপেই ‘ড্রাগনফ্লাই ৪৪’ নামের ছায়াপথ আবিষ্কার করা হয়। আবার ২০১৮ সালে কৃষ্ণবস্তুহীন ছায়াপথ ‘এনজিসি ১০৫২-ডিএফ২’ শনাক্ত করা হয় এতে।

default-image

ক্যানন জানিয়েছে, তারা ওই প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা জারি রাখবে, পাশাপাশি আরও ১২০টি একই ধরনের লেন্স পাঠাবে। তখন ড্রাগনফ্লাই টেলিফটো অ্যারের মূল কাজগুলোর একটি হবে, ছায়াপথের আশপাশের অনুজ্জ্বল গ্যাস শনাক্ত এবং সেগুলো নিয়ে গবেষণা করা। গবেষক দলটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের নতুন এই দ্বার উন্মোচন করে জ্যোতিঃপদার্থবিদ্যার আজকের জটিল সব প্রশ্নের সমাধান দেবে ড্রাগনফ্লাই।

সব মিলিয়ে ১৬৮টি লেন্সের সাহায্যে তখন মাত্র ৪০ সেন্টিমিটার ফোকাল লেংথের ১ দশমিক ৮ মিটার ব্যাসের টেলিস্কোপের মতো কাজ করবে ড্রাগনফ্লাই টেলিফটো অ্যারে।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন