default-image

ব্রিটিশ রাজপরিবারে প্রিন্স হ্যারির ভূমিকা ‘ডিউক অব সাসেক্স’ হিসেবে। প্রাসাদ ছাড়লেও তাঁর সে পদবিটা রয়ে গেছে। নতুন খবর হলো, এবার তাঁর নামে যোগ হচ্ছে আরেকটি পদবি। যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বেটারআপে ‘চিফ ইমপ্যাক্ট অফিসার’ হিসেবে যোগ দিলেন ব্রিটিশ রাজপুত্র।

গ্রাহকদের প্রশিক্ষণ এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকে বেটারআপ। এটি মূলত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। সেবা গ্রহণে ইচ্ছুক কেউ নিজের সম্পর্কে জানালে বেটারআপ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে সম্ভাব্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবাদাতা কিংবা প্রশিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেয়।

বেটারআপের ওয়েবসাইটে নেতৃত্বদানকারী বা লিডারশিপ দলের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে প্রিন্স হ্যারির নাম। তাঁর সম্পর্কে লেখা আছে ‘মানবহিতৈষী, অভিজ্ঞ সেনাসদস্য, মানসিক সুস্বাস্থ্যের দূত এবং পরিবেশবাদী।’

বিজ্ঞাপন

চলতি মাসেই অপরাহ্ উইনফ্রের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে যুক্তরাজ্য এবং রাজপরিবার ছেড়ে আসার কারণ জানান হ্যারি ও তাঁর স্ত্রী মেগান। সেখানে তাঁদের মানসিক এবং অন্যান্য সমস্যা নিয়ে কথা বলে বেশ আলোচিত হন। তাঁরা দুজন এখন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় থাকছেন। আর এবার এল বেটারআপে যোগ দেওয়ার খবর।

default-image

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেটারআপে প্রিন্স হ্যারি সম্ভবত পণ্যবিষয়ক কৌশল নির্ধারণ করবেন। সে সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্য–সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে প্রতিষ্ঠানটির হয়ে কথা বলার দায়িত্বটিও তাঁর হবে। তবে সে কাজের জন্য প্রিন্স হ্যারির পারিশ্রমিক কত হবে, তা জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে বেটারআপ।

এক প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগপোস্টে বেটারআপে যোগ দেওয়ার কারণ বর্ণনা করেছেন প্রিন্স হ্যারি। সে সঙ্গে জানিয়েছেন, তিনি নিজে বেটারআপ থেকে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রশিক্ষণ নিয়ে উপকৃত হয়েছেন।

যুক্তরাজ্য ছাড়ার পর বেটারআপ ছাড়াও আরেকটি কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন ব্রিটিশ রাজপুত্র। অডিও স্ট্রিমিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্পটিফাইয়ের সঙ্গে জোট বাঁধছে ডিউক এবং ডাচেস অব সাসেক্সের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান আর্চওয়েল অডিও।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন