বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আলাবামার মোবাইল কাউন্টিতে ২০১৯ সালে মামলাটি করা হয়। নিকো সে সময় বেঁচে ছিল।

সিবিএস নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ইদানীং র‍্যানসমওয়্যার হামলা বেড়েছে। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, সরকারি সংস্থা এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এমন হামলার শিকার হচ্ছে। এ ধরনের হামলায় কম্পিউটার সিস্টেম দখলে নিয়ে তথ্য ফিরিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ দাবি করে দুর্বৃত্ত। আবার র‍্যানসমওয়্যার হামলা চালানোর উপযোগী সফটওয়্যার সেবা সরবরাহের অপরাধও বাড়ছে।

কিডের মামলায় হাসপাতাল এবং চিকিৎসক কেটলিন ব্রাসওয়েল পারনেলের কাছ থেকে অনুল্লিখিত পরিমাণ অর্থ দাবি করা হয়েছে। কারণ, সাইবার হামলার ব্যাপারটি যদি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করত, তবে হয়তো তিনি অন্য কোনো হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা নিতে যেতেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য কোনো ধরনের অবহেলা করা হয়নি বলে দাবি করেছে এবং বিচারকের কাছে মামলার সবচেয়ে গুরুতর অংশটি খারিজ করার আবেদন জানিয়েছে। সে অংশে সাইবার হামলার ব্যাপারে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য প্রকাশের অভিযোগ আনা হয়েছে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।

এদিকে হাসপাতালের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দায় পারনেলের, যিনি সাইবার হামলা এবং এর ফলে সৃষ্ট সম্ভাব্য সমস্যার কথা জানতেন। আলাবামার আইন অনুযায়ী, কিডকে সাইবার হামলার ঘটনাটি জানানোর আইনানুগ বাধ্যবাধকতা নেই বলে যুক্তি দেখিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এদিকে পারনেল বলেছেন, নিকোর ক্ষতি হতে পারে, এমন কিছু তিনি করেননি।

শিশুটির জন্মের আগের দিন সাইবার হামলার বিষয়টি প্রকাশ করে স্প্রিংহিল। সে সময় কর্মীরা রোগীর সেবাশুশ্রূষায় নিয়োজিত ছিলেন বলে জানানো হয়েছিল।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন