বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিরাপদ পথচলায় মোটরবাইকে চাকায় কী পরিমাণ বাতাস আছে, তা জানতে হবে। শীতের সময় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমে গেলে দুই পিএসআই (প্রেশার পার স্কয়ার ইঞ্চি) কমতে থাকে। তাই এই শীতে প্রতি মাসেই চাকায় সঠিক মাপে বাতাস প্রবেশ করাতে হবে। এ সময়ে মাসে দুইবার চাকার হাওয়ার পরিমাণ জানা জরুরি। স্পোর্টস ঘরানার বাইকগুলোতে এয়ার কুলড লিকুইড ইঞ্জিন থাকে। তাই এ ধরনের বাইকে ইঞ্জিনের তাপমাত্রা ঠিক রাখার জন্য কুল্যান্ট ব্যবহার করতে হয়। কুল্যান্টের ক্ষেত্রে অ্যান্টি রাস্ট (রাস্ট প্রতিরোধক) ব্যবহার করতে হবে। এতে ইঞ্জিনের তাপমাত্রা ঠিক থাকার পাশাপাশি মরিচার হাত থেকেও রক্ষা মিলবে। চাকা ঘোরানোর জন্য বাইকের চেইনও গুরুত্বপূর্ণ। শীতকালে চেইন শুকিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ জন্য চেইন লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করে চেইনকে পিছলে রাখতে হবে।

ব্রেক পেডাল (যা চাপ দিয়ে ব্রেক ধরা হয়) এবং থ্রটল কন্ট্রোল বারে লুব্রিকেন্ট (পিচ্ছিল তরল পদার্থ) নিয়মিত ব্যবহার করা হলে মোটরবাইক স্বাচ্ছন্দ্য চালানো যাবে, প্রয়োজনে বাইকের ইঞ্জিন অয়েল ও ফিল্টার পরিবর্তন করতে হবে। এতে ইঞ্জিনের ভেতরে ঘূর্ণমান যন্ত্রাংশ সহজেই ওঠা-নামা করতে পারবে। ফলে ইঞ্জিনে অতিরিক্ত চাপ পড়বে না।

শীতে কুয়াশার কারণে সামনের রাস্তা পরিষ্কার দেখা যায় না। এ জন্য মোটরবাইকের হেডলাইট ও টেইললাইট সব সময় মুছে রাখতে হবে। রাতে দূরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে ফগলাইট (কুয়াশাভেদী আলো) ব্যবহার করতে হবে।

মোটরবাইক ধোয়ার পর ডিস্ক ব্রেক পরিষ্কার করে নিতে হবে। পানি জমে থাকলে ব্রেকের ক্ষমতা কমে যায়। শীতকালে উন্মুক্ত স্থানে বাইক রাখার চেয়ে কোনো ছাদের নিচে বা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা ভালো। এতে মোটরবাইক অতিরিক্ত ধুলাবালি থেকে রক্ষা পাবে।

শীতকালে মোটরবাইকের পাশাপাশি চালককেও ঠান্ডা এবং বাতাস প্রতিরোধক কাপড় পরতে হবে। বাজারে মোটরবাইকের চালকদের জন্য বিশেষ ধরনের হাত মোজা, চেস্ট গার্ড (বুকে ঠান্ডা বাতাস না লাগার জন্য চামড়া বা মোটা কাপড়ে তৈরি) পাওয়া যায়। এগুলোসহ জুতা পরে শখের বাইকটি চালাতে হবে। এ ছাড়া হেলমেটে স্বচ্ছ এবং কুয়াশা প্রতিরোধক গ্লাস (ভাইজর) ব্যবহার করতে হবে। রাতে বাইক চালানোর সময় আলোর প্রতিফলন হয়, এমন রাইডিং জ্যাকেট পরলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা কমে যাবে।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন