default-image

প্রথমবারের মতো যাঁরা ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন, তাঁদের বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। এ নিয়ে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছে গুগল। গুগলের নেক্সট বিলিয়ন ইউজার গবেষণা দলের নতুন শ্বেতপত্রে বিদ্যমান শিক্ষণপদ্ধতিতে নতুন ডিজিটাল পরিষেবাগুলো যুক্ত করার বিষয়গুলো উঠে এসেছে।

‘ইনফরমাল টিচার্স অ্যান্ড দ্য পিভোটাল রোল দে প্লে ফর নিউ ইন্টারনেট ইউজার্স’ শীর্ষক শ্বেতপত্রে দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়া, লাতিন আমেরিকা এবং আফ্রিকার সাব সাহারা অঞ্চলের নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের চিত্র উঠে এসেছে। এ ক্ষেত্রে ইনফরমাল টিচার্স বা অনানুষ্ঠানিক শিক্ষক যেমন পরিবারের সদস্য, বন্ধু ও প্রতিবেশীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা বলা হয়েছে।

গুগলের গবেষণাপত্রে বলা হয়, ২০২৫ সালের মধ্যে প্রথমবারের মতো অনলাইনে আসা শতকোটি ব্যবহারকারী ইন্টারনেট দুনিয়ার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হবে। প্রত্যন্ত এলাকা থেকে ইন্টারনেটে যুক্ত হওয়া এসব ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে নির্দেশের মাধ্যমে শেখার প্রবণতা হবে লক্ষণীয়। তাঁদের শেখার ক্ষেত্রে ‘অনানুষ্ঠানিক শিক্ষক’ হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বিজ্ঞাপন

গবেষণায় দেখা গেছে, নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সব সময় শেখার সুযোগ থাকে না। প্রায় ৫০ শতাংশ নতুন ব্যবহারকারী শিক্ষকদের কাছ থেকে শেখার প্রয়োজনীয় সুযোগ পান না।

গবেষণায় অংশ নেওয়া নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে মাত্র ৩০ শতাংশ তাঁদের শেখার অভিজ্ঞতাটিকে ইতিবাচক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং ৫২ শতাংশ নিরপেক্ষ বলে অভিহিত করেছেন। গবেষণা অনুযায়ী, নতুন ব্যবহারকারী ও তাঁদের শিক্ষকদের ইন্টারনেটে যাত্রার অভিজ্ঞতা সমন্বিত, সহজ ও কার্যকর করার ক্ষেত্রে প্রযুক্তি নির্মাতাদের কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

গুগল এ গবেষণার সারবস্তু অনুযায়ী সঠিক পণ্য ও সেবা চালু করতে পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করেছে। উদাহরণস্বরূপ গুগল সার্চের অ্যাপ গুগল গো। এটি প্রথমবারের মতো যাঁরা অনলাইনে ব্যবহার শুরু করেছেন, তাঁদের জন্য প্রযোজ্য।

মন্তব্য পড়ুন 0