default-image

স্মার্টফোন ব্যবসা থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এলজি। আগামী জুলাইয়ের মধ্যে বিভাগটি বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা দক্ষিণ কোরীয় প্রতিষ্ঠানটির। এর পরিবর্তে বর্ধিষ্ণু খাতগুলো, যেমন বৈদ্যুতিক গাড়ির যন্ত্রাংশ, ইন্টারনেটে যুক্ত যন্ত্র, রোবটিকস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং প্ল্যাটফর্ম ও সেবা খাতে মনোযোগী হওয়ার কথা জানিয়েছে এক বিবৃতিতে।

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাজারে বিদ্যমান এলজির স্মার্টফোনগুলো যথারীতি বিক্রির জন্য থাকবে। ফোনগুলোর জন্য অঞ্চলভেদে ‘নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত’ বিক্রয়োত্তর সেবাও দিয়ে যাবে এলজি। তবে প্রতিষ্ঠানের স্মার্টফোন বিভাগের কর্মীরা থাকবেন নাকি ছাঁটাই করা হবে, তা পরিষ্কার করেনি। অবশ্য সে সিদ্ধান্ত স্থানীয় পর্যায়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে।

কয়েক মাস ধরে অবশ্য এমন একটি গুঞ্জন চলছিল। কারণ গত পাঁচ বছরে এলজির স্মার্টফোন বিভাগ লাভের মুখ দেখেনি। অথচ একসময় আরেক দক্ষিণ কোরীয় প্রতিষ্ঠান স্যামসাংয়ের সঙ্গে টক্কর দিয়ে চলত এলজি। তবে ইদানীং প্রতিযোগীদের সঙ্গে আর পেরে উঠছে না। এর আগে এলজি একবার বলেছিল, ২০২১ সাল নাগাদ প্রতিষ্ঠানটির স্মার্টফোন বিভাগ লাভের মুখ দেখবে বলে তাদের আশা। সে আশায় গুড়ে বালি।

বিজ্ঞাপন

ডিসপ্লে মুড়িয়ে রাখা যাবে (রোলেবল), এমন একটি স্মার্টফোন বাজারে আনার কথা দীর্ঘদিন ধরে শোনা যাচ্ছিল। এ বছর ভার্চ্যুয়াল ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক শো (সিইএস) মেলায় পরীক্ষামূলক একটি সংস্করণও দেখিয়েছিল এলজি। বলেছিল, চলতি বছরের শেষ নাগাদ বাজারে আসবে। তবে নতুন এই ঘোষণা অনুযায়ী সে স্মার্টফোন আর কোনো দিন আলোর মুখ দেখবে বলে মনে হয় না।

এলজি একা নয়। এর আগে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান স্মার্টফোন তৈরির বিভাগ বন্ধ করে দিয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান দ্বিতীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে বাজারে স্মার্টফোন ছাড়তে শুরু করে। এখন নকিয়ার স্মার্টফোন তৈরি করছে এইচএমডি নামের প্রতিষ্ঠান। ব্ল্যাকবেরি ও এইচটিসির কপালেও একই পরিণতি জুটেছে।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন