বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

হাউগেনের অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা আটটি নথি আপলোড করেছে মার্কিন টিভি চ্যানেল সিবিএস নিউজ। এই টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারেই সোমবার প্রথম সামনে আসেন তিনি।

এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রশ্নের জবাবে ফেসবুকের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও সহিংসতা ছড়ায়, এমন কনটেন্ট আমরা নিষিদ্ধ করেছি। ঘৃণাত্মক কনটেন্ট রিপোর্ট করার আগেই তা শনাক্ত করার প্রযুক্তিতে বছরের পর বছর ধরে আমরা বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করে আসছি। বিশ্বব্যাপী ৪০টির বেশি ভাষার সঙ্গে হিন্দি ও বাংলায় কনটেন্ট শনাক্তে আমরা এখন এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছি।’

ফেসবুকের দাবি অনুযায়ী গত ১৫ মে থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ভারতীয় ব্যবহারকারীদের প্রায় ৮ লাখ ৭৭ হাজার বিদ্বেষমূলক পোস্ট সরানো হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে কাজ করা কর্মীর পরিমাণ তিন গুণ বাড়িয়ে ৪০ হাজার করা হয়েছে। তাঁদের ১৫ হাজারের বেশি কর্মী কনটেন্ট পর্যালোচনার কাজে নিযুক্ত।

ফেসবুকে কী ধরনের কনটেন্ট পোস্ট করা হচ্ছে, তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি তো জেনেছেই, পাশাপাশি রাজনীতিবিদদের শেয়ার করা ভুয়া তথ্যের প্রভাব কেমন, তা আরেকটি গবেষণায় দেখানো হয়।

এক ব্যবহারকারীর একাধিক অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণে ফেসবুক তেমন দক্ষ নয় বলেও অভিযোগ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির এক অভ্যন্তরীণ প্রেজেন্টেশনে উল্লেখ করা হয়, ভারতের রাজনৈতিক দল বিজেপির এক কর্মকর্তা হিন্দিতে বার্তা পাঠানোর ব্যাপারটি জনপ্রিয় করার জন্য একাধিক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন।

বিশ্বের এত মানুষের ওপর ফেসবুকের ‘ভীতিকর প্রভাব’ থাকলেও প্রতিষ্ঠানটির ওপর নিয়ন্ত্রণের অভাব রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট কমিটির সামনে মঙ্গলবার সে বিষয়ে শুনানিতে সাক্ষ্যদানে অংশ নেন হাউগেন। সে শুনানির পর এক ফেসবুক পোস্টে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ বলেন, ‘লাভের আশায় আমরা মানুষের মধ্যে বারবার ক্রোধ ছড়াচ্ছি, এমন যুক্তি দেখানো একদমই অযৌক্তিক। আমরা আয় করি বিজ্ঞাপন থেকে, আর বিজ্ঞাপনদাতারা আমাদের প্রতিনিয়ত বলতে থাকেন, তাঁরা ক্ষতিকর কনটেন্টের পাশে তাঁদের বিজ্ঞাপন দেখতে চান না। এবং কোনো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মানুষকে ক্রুদ্ধ বা বিষণ্ণ করতে পণ্য বানায় বলে আমার জানা নেই।’

ব্যবহারকারীর সংখ্যার বিচারে ফেসবুকের বড় বাজারগুলোর একটি ভারত। দেশটিতে ফেসবুকের ৪১ কোটি, হোয়াটসঅ্যাপের ৫৩ কোটি এবং ইনস্টাগ্রামের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২১ কোটি।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন