বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ক্যামেরাটি তৈরি ও পরীক্ষার দায়িত্ব বিজ্ঞানী আরন রুডম্যানের। তিনি বলেন, ‘সামনের লেন্স থেকে পেছনের যন্ত্রাংশগুলো পর্যন্ত পুরো ক্যামেরাটি দৈর্ঘ্যে ১৩ ফুট, আর ব্যাস হলো ৫ ফুট—এতটাই বিশাল।’

ক্যামেরাটির ভেতরে লেন্স, ফিল্টার আর অন্যান্য যন্ত্রাংশের সঙ্গে আছে শীতল রাখার ব্যবস্থা। কারণ ক্যামেরাটি কর্মক্ষম রাখতে হলে তাপমাত্রা শূন্যের ১৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইট নিচে রাখতে হয়। ক্যামেরাটি পুরোপুরি তৈরি হয়ে গেলে বেশ কিছু লেন্সের সাহায্যে মহাজাগতিক বস্তুগুলোতে ফোকাস ঠিক করা যাবে।

তবে প্রশ্ন হলো, ব্রকলির ছবি তোলা হলো কেন? রুডম্যানের উত্তর, ‘মজা করার জন্য। ভেবেছিলাম দেখতে ভালো লাগবে, লাগছেও। এর গঠনটা মজার।’

default-image

রুডম্যান আসলেই মজা পেয়েছিলেন কি না কে জানে, তবে ব্রকলির ছবি দেখে বিজ্ঞানীরা বুঝেছিলেন যে তাঁরা ঠিক পথেই এগোচ্ছেন।

আগামী বছরের মধ্যে টেলিস্কোপটি স্থাপনের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারির প্রাদুর্ভাবে তা কিছুটা পিছিয়েছে। এখন ২০২২ সালের মধ্যে কাজ শেষ হবে বলে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আশাবাদী।

তখন তাঁরা মজার সব মহাজাগতিক বস্তুর ছবি তুলতে পারবেন। আর মহাকাশের কোথাও কেউ যদি ব্রকলির চাষাবাদ শুরু করে, তো সেটাও হয়তো ক্যামেরায় উঠে আসবে।

default-image
প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন