বিজ্ঞাপন

পৃথিবীর উত্তর মেরুর আর্কটিক অঞ্চলে বীজ সংরক্ষণের জন্য একটি ভল্ট আছে। প্রাকৃতিক হোক কিংবা মানুষের সৃষ্টি কোনো দুর্যোগে পৃথিবীর সব শস্য যদি ধ্বংস হয়ে যায়, তবে সে বীজভান্ডার থেকে পৃথিবীকে আবারও শস্য–শ্যামলা করে তোলার চেষ্টা করা হবে। ওরিওর পরিকল্পনা তেমনই। তবে প্রয়াস ছোট। ভল্টও ছোট। কারণ, কুকি সংরক্ষণ তাদের পরিকল্পনা না, তারা চেয়েছে আলোচনায় থাকতে। বিজ্ঞাপন বলা যেতে পারে।

ভল্টটি তৈরির কারণ দেখিয়ে একটি ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। নরওয়ের সবচেয়ে উত্তরের শহর সভলবার্ডের গ্লোবাল সিড ভল্টের কাছাকাছি তৈরি করা হয়েছে ওরিও ভল্ট। ভিডিওর শেষদিকে লেখা দেখায়, ওরিওর মূল রেসিপি এবং বেশ কিছু ওরিও কুকি মজুত করে রাখা হয়েছে গ্লোবাল ওরিও ভল্টে। মহাপ্রলয় যদি আসেই, তবে কোথায় ওরিও কুকি পাওয়া যাবে, তার স্থানাংকও দিয়ে দিয়েছে ভিডিওতে।

ভিডিওতে ওরিও ভল্ট

টুইটারে অলিভিয়া গর্ডন নামের এক ভক্তের পোস্ট থেকে শুরু হয় গ্লোবাল ওরিও ভল্ট প্রকল্প। তিনি প্রশ্ন করেছিলেন, ‘ইলেকশন ডে গ্রহাণু যদি পৃথিবীতে আঘাত হানে, তবে কে বাঁচাবে ওরিওকে?’ এগিয়ে আসে ওরিও, কিংবা বলা যেতে পারে ব্র্যান্ডটির মূল প্রতিষ্ঠান মনডেলিজ ইন্টারন্যাশনাল।

২ নভেম্বরে, অর্থাৎ মার্কিন নির্বাচনের আগের দিন পৃথিবীর কাছাকাছি আসার কথা আছে বলে ‘২০১৮ ভিপি১’ গ্রহাণুটিকে ইলেকশন ডে গ্রহাণুও বলা হচ্ছে।

গতকাল শুক্রবার ওরিওর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, বাড়তি নিরাপত্তা হিসেবে ওরিওর প্যাকেটগুলো মাইলারে মুড়িয়ে নেওয়া হয়েছে। শূন্যের ৮০ ডিগ্রি নিচে থেকে ৩০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপেও টিকে থাকে মাইলার। রাসায়নিক বিক্রিয়াতেও সাড়া দেয় না। এতে অনাগত বছরগুলোতেও দিব্যি সতেজ থাকবে ওরিও।

পৃথিবীর কুকি বা মানুষের জন্য এই ইলেকশন ডে গ্রহাণু কোনো হুমকি নয়। তবু সেটা যদি মানুষকে মজা করার উপলক্ষ করে দেয় তো মন্দ কী!

বিজ্ঞান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন