শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট অমিক্রন মানুষকে শারীরিকভাবে ক্ষতি করার, এমনকি মেরে ফেলার ক্ষমতাও রাখে। অতএব আমাদের খুব সাবধান হতে হবে। এখন অধিকাংশের মুখেই মাস্ক দেখা যায় না। অনেকেই ঠিকমতো মাস্ক পরছেন না। তাই এই ঢিলেমি ঝেঁটিয়ে আমাদের আবার স্বাস্থ্যবিধির মধ্যে আসতে হবে।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২ থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা। এই পরীক্ষা আমাদের শিক্ষার্থীদের জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই পরীক্ষার পরই তাঁরা জীবনে উচ্চশিক্ষায় কোথায় যাবেন, সেসব ঠিক করবে। কাজেই এই পরীক্ষা সবার জন্য একটি বড় মাইলফলক। সেই পরীক্ষা যেন এই সংক্রমণের জন্য কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত না হয়। সবাইকে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’

এইচএসসি পরীক্ষা সবার জন্য একটি বড় মাইলফলক। সেই পরীক্ষা যেন এই সংক্রমণের জন্য কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত না হয়। সবাইকে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
দীপু মনি, শিক্ষামন্ত্রী

দীপু মনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার কখনোই মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি অগ্রাধিকার দেবে না, এটি হতেই পারে না। স্বাস্থ্য সুরক্ষাই অগ্রাধিকার পাবে। সঙ্গে জীবন-জীবিকা, পড়ালেখা—সবকিছু চলবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, জীবন রক্ষা নিশ্চয়ই ১ নম্বর অগ্রাধিকার। তাই আমাদের গাফিলতির কারণে, মাস্ক না পরার কারণে সংক্রমণ যেন বেড়ে না যায়। জেনেশুনে স্বাস্থ্যবিধি না মানার মতো অবহেলা অপরাধ। কারণ, স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে অবহেলার কারণে আপনার নিজেকে, আপনার আপনজনকে, আপনার পরিবার, প্রতিবেশীকে, দেশকে আপনি বিপদের মুখে ফেলছেন। দয়া করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। যথাসম্ভব নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।’

পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ইকবাল হোসেন পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য দেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব মাকছুদুর রহমান পাটোয়ারী, জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ, পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ, পৌর মেয়র মো. জিল্লুর রহমান, স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন।

অনুষ্ঠানে করোনা সংক্রমণ রোধে বিশেষ অবদানে সম্মাননা দেওয়া হয় চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ, পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জে আর ওয়াদুদ, চাঁদপুরের পৌর মেয়র মো. জিল্লুর রহমান, সাবেক সিভিল সার্জন মো. সাখাওয়াত উল্যাহ, চাঁদপুর ২৫০ শয্যা সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সুজাউদ্দৌলা, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাজেদা বেগমকে।

পড়াশোনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন