বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর গত মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর আজ শুরু হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।

ঠিকমতো ক্লাস না হওয়ায় আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাও যে পেছাবে, সেটা আগেই বলা হয়েছে। এখন, কবে এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হতে পারে, তা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী।

দীপু মনি বলেন, এ বছর যেমন নভেম্বর-ডিসেম্বরে এই দুই পরীক্ষা নিতে হচ্ছে, তাঁরা আশা করছেন, যেভাবে করোনার সংক্রমণ মোকাবিলা করতে পেরেছেন, তাতে আগামী বছরের পরীক্ষা এত দেরি হবে না। তার আগেই নিতে পারবেন। তবে বছরের প্রথম ভাগে হয়তো পরীক্ষা হবে না। বছরের মাঝামাঝিতে হতে পারে। তাঁরা আশা করছেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা দুটোই বছরের মাঝামাঝি নাগাদ হতে পারে।

করোনার নতুন ধরন অমিক্রনের কারণে প্রয়োজন হলে আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মতো কোনো প্রস্তুতি আছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে দীপু মনি বলেন, ‘আমরা প্রার্থনা করি, আশা করি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবার বন্ধ করে দিতে হয়, এমন পরিস্থিতি যেন না হয়। কিন্তু পরিস্থিতির কারণে যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে অবশ্যই, অবশ্যই শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় যে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তাতে প্রশ্ন ফাঁসের সুযোগ নেই জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যারাই গুজব ছড়ানো জন্য কিংবা প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো অনৈতিকতার সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে জড়িত থাকবে, ধরা পড়লে তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ১৪ লাখের কিছু বেশি। গতবারের চেয়ে পরীক্ষার্থী বেড়েছে।

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী গ্রুপভিত্তিক তিনটি বিষয়ে নম্বর ও সময় কমিয়ে (দেড় ঘণ্টায়) অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই পরীক্ষা। বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) ও সৃজনশীল (সিকিউ) অংশের পরীক্ষার মাঝে কোনো বিরতি থাকছে না।

পড়াশোনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন