বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এবারের উৎসবে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের ৩৬টি নাট্যদলের মোট ৩৬টি মঞ্চনাটক প্রদর্শিত হবে। সংগীত, নৃত্যকলা ও আবৃত্তি মিলনায়তনে ৪৪টি সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্যদল তাদের পরিবেশনা আনবে।

উন্মুক্ত মঞ্চে ১২টি পথনাটক, ১১টি আবৃত্তি সংগঠনের পরিবেশনা, ১২টি সংগীত সংগঠন, ১১টি নৃত্য সংগঠন, ১০টি শিশুদল এবং একক আবৃত্তি ও একক সংগীত পরিবেশনা থাকবে উৎসবে। সব মিলিয়ে ১৪০টি সংগঠনের আনুমানিক সাড়ে তিন হাজার শিল্পী-কলাকুশলীর অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে এবারের গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব উদ্‌যাপিত হবে।

উৎসবের আহ্বায়ক ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ বলেন, ‘ভয়কে জয় করে অনুষ্ঠিত হবে এবারের উৎসব। কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়েই আমরা সেই পথ পাড়ি দিতে চাই। এ উৎসবের মাধ্যমে দেশের সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো পুনর্গঠিত হবে। বিভিন্ন কারণে নিষ্ক্রিয় থাকা দলগুলোও উৎসাহ পাবে। সব মিলিয়ে এ উৎসবের মাধ্যমে করোনা–পরবর্তী সময়ে সংস্কৃতিচর্চায় সৃষ্টি হবে নতুন জাগরণ।’ প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, প্রতিবার ভারতীয় নাট্যদল এ উৎসবে অংশ নিলেও করোনার নিষেধাজ্ঞার কারণে এবার দেশটি থেকে কোনো দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

আজ জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে ১২ দিনব্যাপী গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসবের উদ্বোধন করবেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক সুজেয় শ্যাম। উদ্বোধনী সন্ধ্যায় মূল হলে মঞ্চস্থ হবে থিয়েটার প্রযোজনা ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’। নাটকটি রচনা করেছেন সৈয়দ শামসুল হক ও নির্দেশনা দিয়েছেন আবদুল্লাহ আল মামুন।

এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে প্রদর্শিত হবে আরণ্যক নাট্যদলের প্রযোজনা ‘কহে ফেসবুক’। নাটকটির রচনা ও নির্দেশনা করেছেন মামুনুর রশীদ। স্টুডিও থিয়েটার হলে মঞ্চস্থ হবে ঢাকা জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রযোজনা ‘জনকের মৃত্যু নেই’। নাটকটি রচনা করেছেন আবদুল হালিম আজিজ এবং নির্দেশনা দিয়েছেন স্মরণ সাহা। উন্মুক্ত মঞ্চের সাংস্কৃতিক পর্ব প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলবে এবং মঞ্চনাটক প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হবে।

বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন