বিজ্ঞাপন

কে এই কুব্বাত? আর কাদের জন্য তার শান্তি মলম। চলুন, সেখান থেকে ঘুরে আসা যাক খানিকটা। তার আগে বলে রাখি, ঠিক বাস্তবে অভিরামপুর নামে কোনো গ্রাম নেই। এটি কল্পিত, এমনকি এর পাত্র–পাত্রীরাও! তাদের দেখা যাবে আরটিভির পর্দায়।
অভিরামপুর গ্রামের অন্যতম বাসিন্দা কুব্বাত আলী, যার অন্যতম কাজ বাঁদর দিয়ে হাত গণনা করা। কুব্বাতের বাঁদরের নাম দুলাল। কুব্বাতের সঙ্গে তার প্রাণের দোস্তি। দুলাল মানুষের ভবিষ্যৎ বলে দেয়, চোর ধরে দেয়। হারিয়ে যাওয়া সোনার হার খুঁজে এনে দেয়। কিন্তু দুলালকে নিয়ে কুব্বাতের ঝামেলা যায় না। বাঁদর নিয়ে ঘোরে বলে কুব্বাতের বিয়ে হয় না। প্রেমিকার দাবি, ‘হয় বাঁদর ছাড়ো, না হয় আমাকে ছাড়ো।’ কুব্বাত ছাড়তে পারে না কাউকেই।

default-image
কুব্বাতের বাঁদরের নাম দুলাল। কুব্বাতের সঙ্গে তার প্রাণের দোস্তি। দুলাল মানুষের ভবিষ্যৎ বলে দেয়, চোর ধরে দেয়। হারিয়ে যাওয়া সোনার হার খুঁজে এনে দেয়। কিন্তু দুলালকে নিয়ে কুব্বাতের ঝামেলা যায় না।

কুব্বাতের সহকারী ব্যাটারি। দেখতে রোগাপটকা, তাই তার এই নাম। বাঁদরকে পোশাক পরানো, মাথায় নিয়ে ঘোরা তার কাজ। সে স্বপ্ন দেখে, একদিন এই বাঁদরের মালিক হবে। কুব্বাতের ছোট ভাই টিংকু। লেইসফিতা, শাড়ি, চুড়ি বিক্রি করে। গ্রামের নারীদের সঙ্গে তার অন্য রকম ভাব। টিংকু শাড়ি–চুড়ি নিয়ে বাড়ি বাড়ি ফেরি করে বেড়ায়। ভাবিদের মুচকি হাসি তার মনকে উথাল–পাতাল করে দেয়। এ নিয়ে বউয়ের সঙ্গে তার ঝগড়া লেগেই থাকে।

default-image

গ্রামের নামকরা চোর লেদু। সোনাদানা থেকে প্লাস্টিকের বদনা, সবকিছুই সে চুরি করে। সুযোগ পেলে ব্যাংক ডাকাতি করবে, এই দিবাস্বপ্ন দেখে রোজ। একমাত্র চ্যালা নান্নুকে নিয়ে চুরিবিদ্যায় শাণ দেয় লেদু। লেদুর যন্ত্রণায় শান্তি মলম খোঁজে গ্রামবাসী। ওদিকে ধরা পড়লে জান যায় যায় অবস্থা হয় লেদুর। এই অশান্তির জন্য সে–ও খোঁজে শান্তি মলম।

বক্কর চেয়ারম্যান পরপর তিনবার ফেল করেছে নির্বাচনে। তবু গ্রামের যেকোনো ঝামেলা হলেই নিজ দায়িত্বে বিচার বসায়। তার বিচার কেউ মানেনি কোনো দিন। অতিমাত্রায় ফাঁপরবাজি করে বলেই জনগণ অশান্তির মধ্যে থাকে।

default-image

এই গ্রামের নারীদের মনেও শান্তি নেই। বিউটি, কোহিনুর, চায়না বিবি কিংবা মোল্লাবাড়ীর বউ ববিতা, সবাই অশান্তিতে থাকে। কারও মেকআপ বক্স না থাকার দুঃখ, কারও সিনেমা হলে যেতে না পারার কষ্ট, একুশ ইঞ্চি রঙিন টেলিভিশনের দুঃখ কারও। গ্রামের এই সব অশান্তিতে থাকা মানুষকে শান্তি দিতে কুব্বাতের অমোঘ উদ্ভাবন শান্তি মলম। আর তার দাম মাত্র ১০ টাকা!

এই কল্পিত গ্রাম অভিরামপুরের গল্পটি একটি ধারাবাহিক নাটকের, নাম ‘শান্তি মলম দশ টাকা’। হিমু আকরামের রচনা ও পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন সালাহউদ্দিন লাভলু, ডাক্তার এজাজ, সিদ্দিকুর রহমান, আরফান আহমেদ, প্রাণ রায়, মুকিত জাকারিয়া, ফারুক আহমেদ, আমিন আজাদ, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, তানজিকা আমিন, মুনিরা মিঠু প্রমুখ। আরটিভিতে নাটকটি দেখা যাবে ২৬ মে থেকে প্রতিদিন রাত ৯টা ২০ মিনিটে।

আরটিভিতে নাটকটি দেখা যাবে ২৬ মে থেকে প্রতিদিন রাত ৯টা ২০ মিনিটে।
default-image
বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন