বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া এ সংগ্রহশালায় থাকবে একটি মিলনায়তন। সেখানে ছোটখাটো অনুষ্ঠান এবং চলচ্চিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে। ইতিমধ্যে এই সংগ্রহশালা গড়ার জন্য কলকাতায় জায়গা দেখা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ভক্তরা এ কাজে এগিয়ে এসেছেন। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারও এই কাজে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। এ ছাড়া তাঁর নামে একটি স্মারক বক্তৃতারও উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে রাজ্য সরকার সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে।

default-image


প্রবীণ কংগ্রেস নেতা ও লোকসভায় কংগ্রেসদলীয় নেতা সাংসদ অধীর চৌধুরী এই প্রখ্যাত অভিনেতার বাড়িতে গিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান, কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নামে একটি চেয়ার প্রবর্তনের দাবি তুলবেন। এ ব্যাপারে তিনি ভারত সরকারের কাছে আবেদনও জানাবেন। এ ছাড়া তিনি কলকাতায় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নামে একটি অডিটরিয়াম তৈরিরও দাবি জানাবেন।

default-image

পৌলমী আরও জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এসব কাজে সব রকমের সাহায্য করেছেন তাঁদের। পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। পৌলমী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘বাবার মৃত্যু নিয়ে কোনো রাজনীতিতে জড়াতে চাই না। বাবার বহু স্মৃতি আছে গলফগ্রিনের বাড়িজুড়ে। আমরা সেসব স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে যাব আমাদের প্রস্তাবিত সংগ্রহশালায় ও আর্কাইভে। যেখানে বাবা বেঁচে থাকবেন যুগ যুগ ধরে তাঁর ভক্তদের মাঝে।’
প্রখ্যাত অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ৪১ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে অবশেষে চিরবিদায় নিয়েছেন গত রোববার দুপুরে কলকাতায়। ওই দিনই সন্ধ্যায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় দক্ষিণ কলকাতার কেওড়াতলা মহাশ্মশানে। শেষকৃত্যে তাঁর মুখাগ্নি করেন ছেলে সৌগত চট্টোপাধ্যায় ও মেয়ে পৌলমী বসু। শেষকৃত্যের পর ওই দিনই তাঁর অস্থি গঙ্গায় বিসর্জন দেন তাঁরা।
মৃত্যুর তিন দিনের মাথায় তাঁর মেয়ে পৌলমী বসু বাবার পারলৌকিক কাজ সম্পন্ন করেন দক্ষিণ কলকাতার রাসবিহারী অ্যাভিনিউর শ্রীচৈতন্য মঠে। ২৪ নভেম্বর সৌমিত্রের ছেলে এবং তাঁর স্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে পারলৌকিক ক্রিয়া সম্পাদন করবেন।

default-image
বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন