চলচ্চিত্রকার মানজারে হাসিন মুরাদ বলেন, ‘১৯৬১-৬২ সাল থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। যাঁরা বাণিজ্যিক ছবি বানাতে চান, ব্যাংক থেকে টাকা নিন। শিল্পে পৃষ্ঠপোষকতার জন্য জনগণের টাকা তাঁদের (নির্মাতা) দেওয়া হবে কেন?’

ঢালিউড তারকা শাকিব খানের অনুদান পাওয়া প্রসঙ্গে হাসিন মুরাদ বলেন, ‘আপনারা কি মনে করেন, শাকিব খান একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করতে পারেন না? তাঁকে কেন অনুদান দিতে হবে? তিনিই–বা কেন সরকারি অনুদান নিয়ে ছবি বানাবেন? অপু বিশ্বাস কি একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে পারেন না? সরকারি অনুদান পৃথিবীর কোনো দেশে বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রকে দেওয়া হয় না।’

বক্তারা অনুদান কমিটিতে যোগ্য ব্যক্তিকে যুক্ত করা ও নীতিমালা মেনে অনুদান দেওয়ার আহ্বান জানান। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন এন রাশেদ চৌধুরী, জাহিদুর রহিম অঞ্জন, হুমায়রা বিলকিস, আবিদ মল্লিক প্রমুখ। সমাবেশে নানা স্লোগানসংবলিত ফেস্টুন বহন করতে দেখা যায়।

দেশের সামগ্রিক চলচ্চিত্রের স্বার্থে অনুদান প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে সমাবেশে ১০ দফা প্রস্তাব পেশ করা হয়। সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, অনুদানে স্বাধীন ধারার চলচ্চিত্রকে প্রাধান্য দেওয়া ও বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের পৃথক পরিকল্পনা, ন্যূনতম ২০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবিকে অনুদান প্রদান ও এগুলোর দৈর্ঘ্য ১৫-৪০ মিনিট করা, নির্মাতার ওপর অপ্রয়োজনীয় বাধ্যবাধকতা চাপিয়ে না দেওয়া, এফডিসি, প্রযোজক-পরিচালক সমিতির ছাড়পত্রের বাধ্যবাধকতা না রাখা, অনুদানে নির্মিত ছবি সরকারি কর্তৃপক্ষকে প্রদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া এবং অনুদান নীতির সংশোধন। চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ৩৩টি সংগঠন এসব দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে।

বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন