বিজ্ঞাপন
default-image

কুমার বিশ্বজিৎ আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতে চট্টগ্রামের অবস্থান বরাবরই একটি উজ্জ্বল। ব্যান্ড সংগীতের বৈপ্লবিক সূচনায় চট্টগ্রামের যে কয়জন ছিলেন, রনিদা তাঁদের মধ্যে অন্যতম। আধুনিক চিন্তা ধারার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অনন্য।’

default-image

ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যাওয়া সুব্রত বড়ুয়াকে আজ সকালে তাঁর জন্মস্থান চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। পারিবারিক একটি সূত্রে জানা গেছে, শুরুতে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ রাখা হবে চট্টগ্রামের শিল্পকলা একাডেমিতে। সেখানে যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে নগরের মোহরা এলাকার বৌদ্ধবিহারে ধর্মীয় রীতিতে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে জানালেন চট্টগ্রামের অরিন্দম নাট্যসম্প্রদায়ের শাহরিয়ার আদনান।

default-image

২০২০ সালে মহামারিকাল শুরুর আগে রনির শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর ঢাকায় তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়। শুরুর দিকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লেও চিকিৎসকেরা তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। হাল ছাড়েননি রনিও। দুরারোগ্য এ ব্যাধি থেকে বাঁচার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যান তিনি। অবশেষে আজ ক্যানসারের কাছে হার মানলেন তিনি।

সংগীতের ভুবনে সুব্রত বড়ুয়া রনির বিচরণ পাঁচ দশকের। স্বাধীনতার ঠিক পরের বছর চট্টগ্রামের কয়েকজন গানপ্রেমী তরুণ গঠন করেন গানের দল সোলস, যার মধ্যে অন্যতম সুব্রত বড়ুয়া রনিও। সেই ব্যান্ডের হয়েই সুদীর্ঘ পথচলা তাঁর।

বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন