default-image

বসন্তের ১৫টি দিন পেরিয়ে গেছে। কাল ছিল ১৫ ফাগুন। প্রকৃতিতে গাছে গাছে নবীন কিশলয়, শাখায় শাখায় শিমুল, পলাশ, অশোকসহ বহু বিচিত্র ফুলের বর্ণাঢ্য সমারোহ। প্রকৃতির এই উদ্যাপনে গতকাল শুক্রবার শামিল হলো ছায়ানট। গতকাল তারা আয়োজন করে ‘বসন্তের নৃত্যগীতানুষ্ঠান’। ছিমছাম গোছানো এ আয়োজনে গান নির্বাচন করা হয়েছে লোকসুর এবং পঞ্চকবির রচনা থেকে।
অনুষ্ঠানের শুরু হয়েছিল অসিত দে’র পরিবেশনায় রাগ বসন্ত খেয়াল দিয়ে। পরের পরিবেশনাটি ছিল একক ‘এলো ঐ বনান্তে পাগল বসন্ত’। শোনালেন লতিফুন জুলিও। এরপর ‘ওরে ভাই ফাগুন লেগেছে বনে বনে’ গানের সঙ্গে ছিল নৃত্য। এ পরিবেশনা শেষে পরপর তিনটি একক গান পর্যায়ক্রমে শোনালেন কাঞ্চন মোস্তফা, মহুয়া মঞ্জরী ও কল্পনা আনাম। এরপর রবীন্দ্রনাথের ‘নীল দিগন্তে ওই ফুলের আগুন লাগল’ গানের সঙ্গে ছিল সম্মেলক নৃত্যগীত। পালাক্রমে চলে একক গান ও সম্মেলক নৃত্য পরিবেশনা।
অনুষ্ঠানে পরিবেশিত একক গানের মধ্যে ছিল রবীন্দ্রনাথ, ডি এল রায়, নজরুল, অতুল প্রসাদের গান। শোনান বিজন চন্দ্র মিস্ত্রী, ইলোরা আহমেদ, সুমন মজুমদার, নাদিরা বেগম। ছিল ‘বসন্তে ফুল গাঁথল’, ‘আজি দখিন-দুয়ার খোলা—’, ‘দখিন-হাওয়া জাগো জাগো’ গানের সঙ্গে নৃত্যগীত। সংগ্রহ করা ‘নিশা রাইতে কান্দে কোকিল’ গানটি শোনান এরফান হোসেন। সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় ছায়ানটের বসন্ত উদ্যাপন।

বিজ্ঞাপন
বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন