default-image

যেমন চোখজুড়ানো রং, তেমনি মনভোলানো সামগ্রী। মুখোশ, টেপা পুতুল, পটচিত্র, শীতলপাটি, শতরঞ্জি, শখের হাঁড়ি, শোলাশিল্প, নকশিকাঁথা প্যাডেলপ্রেস, বেত, বাঁশ-কাঠের তৈজসপত্র! সারা দেশের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প পণ্যের সমারোহ। দর্শকেরা মুগ্ধতা নিয়ে ঘুরে ঘুরে দেখছিলেন পণ্যসম্ভার। অভিভূত কেউ কেউ অস্ফুট স্বরে বলছিলেন—বাহ্!
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর আয়োজন করেছে কারুশিল্পীদের জীবন ও কাজ নিয়ে পাঁচ দিনের প্রদর্শনী। গতকাল এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, শিল্পীদের সৃষ্টিশীলতা পরিশীলিত হয়ে আজ ধ্রুপদি মর্যাদায় অভিসিক্ত হয়েছে।
মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় জাদুঘর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। জাদুঘরের মহাপরিচালক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য দেন এবং অর্থমন্ত্রীকে সিলেটে তৈরি একটি শীতলপাটি সৌজন্য হিসেবে উপহার দেন।
প্রদর্শনীটি ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। শিল্পীরা প্রদর্শনী চলাকালীন তাঁদের কারুশিল্প তৈরি ও বিক্রি করবেন।
এ ছাড়া শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর আজ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে। সকাল ১০টায় প্রধান মিলনায়তনে চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে থাকছে জহির রায়হানের জীবন থেকে নেয়া ছবিটি। বেলা ১১টায় জাদুঘর প্রাঙ্গণে হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। থাকছে ‘ভাষা বিনিময় মেলা’। বাংলাদেশে বসবাসরত বিভিন্ন ভাষাভাষীর প্রতিনিধিরা ২৭টি স্টলে তাঁদের ভাষা ও সংস্কৃতি প্রদর্শন করবেন এবং আগ্রহী দর্শনার্থীদের সঙ্গে নিজস্ব ভাষায় মতবিনিময় করবেন।

বিজ্ঞাপন
বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন