default-image

বিনোদন যখন হাতের মুঠোয়, তখন আর অবসরের জন্য অপেক্ষা কেন? কাজের ফাঁকে একটু সময় পেলেই ডুব দেওয়া যায় পছন্দের নাটক বা ধারাবাহিকে। এখন ভিডিও স্ট্রিমিং সাইটের দুর্দণ্ড প্রতাপ। বাংলাদেশের অনেক তারকাও এসব ওয়েব সিরিজে বুঁদ। এবারের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে থাকছে কয়েকজন তরুণ তারকার পছন্দের ওয়েব নাটক আর ধারাবাহিকের কথা।

সিয়ামের মন ভাঙল ‘গেম অব থ্রোনস’
বুঁদ হয়ে দেখেছেন গেম অব থ্রোনস (জিওটি)–এর প্রতিটা পর্ব। শুরু থেকেই এই সিরিজের ভক্ত অভিনেতা সিয়াম আহমেদ। প্রতিবছর অপেক্ষা করতেন, কখন তিনি শুনতে পাবেন ‘উইন্টার ইজ কামিং’ কথাটি। কিন্তু এ বছর এই সিরিজের অবসানের মধ্য দিয়ে মন ভেঙে গেল এই ঢালিউড অভিনেতার। তবে জিওটি শেষ হয়ে যাওয়ায় সেই ক্ষত কিছুটা হলেও কাটিয়েছে লা কাসা দা পাপেল, অর্থাৎ মানি হেইস্ট। সিয়ামের পছন্দের তালিকায় জিওটির পরই আছে স্প্যানিশ এই সিরিজ। এ ছাড়া দ্য স্পাই, স্যুটস, পিকি ব্লাইনডার্সও দেখা হয় নিয়ম করে। সিয়াম বললেন, ‘লা কাসা দা পাপেল–এর প্রফেসর আমার খুব পছন্দের চরিত্র। তার বুদ্ধিমত্তা অসাধারণ! বিনোদনের পাশাপাশি এই চরিত্র আমাকে অনুপ্রাণিতও করে।’

ফারিয়া কাজের ফাঁকে ঢুঁ মারেন ফিল্টার কপিতে

ওয়েব সিরিজ অবসরে দেখেন। কিন্তু কাজের ফাঁকে একটু সময় পেলে ঢুঁ মারেন ইউটিউবে। বিশেষ করে ফিল্টার কপি নামের চ্যানেলে যে ছোট ছোট কনটেন্ট থাকে, সেগুলোর দারুণ ভক্ত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। আর এ কারণেই নেটফ্লিক্সের লিটল থিংস সিরিজও দেখা হয় নিয়ম করে। এই সিরিজের ‘কাব্য’ চরিত্রটা ফারিয়ার ভীষণ পছন্দের। আরেকটা ওয়েব সিরিজের ভক্ত ফারিয়া, সেটা হলো ‘হইচই’–এর বাংলাদেশি প্রযোজনা মানি হানি। এতে অভিনেতা শ্যামল মাওলার অভিনয়কে সবার ওপরে রাখলেন ফারিয়া। বললেন, প্রত্যেক শিল্পীর কাজ ভালো লেগেছে। তবে শ্যামলের প্রশংসা না করলেই নয়। কমেডি সিরিজের মধ্যে ইয়াং শেলডনও ভীষণ ভালো লাগে ফারিয়ার। এর ‘মিসি’ নামের ছোট্ট মেয়ের সঙ্গে নাকি নিজের ছোটবেলার মিল খুঁজে পান তিনি।

অ্যানিমে–ভক্ত প্রীতম

সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান ভালোবাসেন অ্যানিমে দেখতে। পছন্দের তালিকায় আছে ওয়ান পাঞ্চ ম্যান, মব সাইকো ১০০, ডেইলি লাইভস অব হাইস্কুল বয়েজ ইত্যাদি। একটা শেষ হলেই ডুব দেন আরেক অ্যানিমেতে। অ্যানিমের বাইরে এই শিল্পী লা কাসা দা পাপেল, অর্থাৎ মানি হেইস্ট–এর মুগ্ধ দর্শক। প্রীতম বলেন, ‘এখন মানি হেইস্ট দেখছি। এখনো শেষ হয়নি। যত দূর দেখেছি, এরপর আর থামা যাচ্ছে না। দেখেই যাচ্ছি। আর এটা দেখা শেষ হলে ইচ্ছা আছে ফরাসি একটা হরর সিরিজ দেখার, নাম ম্যারিয়েন।’ বন্ধুদের মুখে নাকি ম্যারিয়েন–এর বেশ প্রশংসা শুনেছেন। কিন্তু মানি হেইস্টকেও আবার মাঝপথে ছাড়া যাচ্ছে না। তাই কাজের ফাঁকে সুযোগ পেলেই একটা একটা দেখে নিচ্ছেন মানি হেইস্ট–এর একেকটা পর্ব।

default-image

সাবিলার প্রিয় ‘ইলেভেন’

শিল্পীরা তো নাটক দেখেনই। পাশাপাশি তাঁরা খেয়াল করেন চরিত্রের দিকেও। সাবিলাও এর ব্যতিক্রম নন। নেটফ্লিক্সের স্ট্রেঞ্জার থিংস তাঁর প্রিয় ওয়েব সিরিজের একটি। আর পছন্দের চরিত্রের মধ্যে তিনি এক নম্বরে রেখেছেন এই সিরিজের ইলেভেন চরিত্রকে। মিলি ববি ব্রাউন অভিনীত এক অতিমানবীয় ক্ষমতার কিশোরীর এই চরিত্র স্ট্রেঞ্জার থিংস–এর অন্যতম আকর্ষণ। একটা চরিত্র কত ক্ষমতাবান হতে পারে, এটা ইলেভেন চরিত্র থেকেই শিখেছেন সাবিলা নূর। পাশাপাশি সাবিলার আরেকটি পছন্দের চরিত্র হলো ব্রেকিং ব্যাড–এর জেসি পিংকম্যান। এ বছর সাবিলা দেখেছেন ডার্ক, হান্টিং অব দ্য হিল হাউস আর অ্যাপল টিভির প্রযোজনা সি। স্বামী সুনন্দের পরামর্শে কমেডি সিরিজ ব্রুকলিন নাইন নাইন দেখে ভক্ত হয়েছেন রোমান্টিক কমেডি ঘরানার। তবে সবার ওপরে ইলেভেন।

তাসকিন হতে চান ওয়াল্টার হোয়াইট

অভিনেতা তাসকিন রহমান এককথায় বললেন, ‘সবার ওপরে ব্রেকিং ব্যাড।’ এই সিরিজের পাঁড় ভক্ত তিনি। এর কারণ ডক্টর ওয়াল্টার হোয়াইট। তিনি বললেন, ‘পুরো সিরিজে চরিত্রটি পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে যেভাবে পরিবর্তন করেছে, তা সত্যিই চমৎকার। আমিও নিজেকে প্রতিটা চরিত্রের সঙ্গে বদলাতে চাই ঠিক এভাবে, ওয়াল্টার হোয়াইটের মতো করে।’ ব্রেকিং ব্যাড–এই কিন্তু তাসকিনের বিনোদনের কোটা পূর্ণ হয় না। এরই মধ্যে তাসকিন দেখে নিয়েছেন নারকোস, স্যাক্রেড গেমস। এখন দেখছেন দ্য আইরিশ ম্যান আর স্ট্রেঞ্জার থিংস। এ দুটো শেষ হলেই কাঙ্ক্ষিত ওয়েব সিরিজের তালিকায় নেটফ্লিক্সের ভারতীয় প্রযোজনা এমরান হাশমির বার্ড অব ব্লাড–কে

default-image
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন