বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সোহেল জানান, ‘ছবির পরিচালনা থেকে শুরু করে চিত্রনাট্য, চিত্রগ্রহণ, সম্পাদনাসহ গুরুত্বপূর্ণ সব কাজ আমিই করেছি। একা একা ক্যামেরা হাতে ক্যাম্প ঘুরে ঘুরে শুট করেছি। একটা মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে ছবিটি করতে নামি। অনেক জায়গায় ফান্ডের জন্য আবেদন করি। প্রযোজক খুঁজি। কিন্তু কোথাও কোনো সাড়া পাইনি। তবু হাল ছাড়িনি। নিজের যা কিছু আছে, তা নিয়ে নেমে পড়ি। একটা জিরো বাজেটের ফিল্ম দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও কঠোর পরিশ্রমের পর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আলোর মুখ দেখছে, এটা অনেক বড় পাওয়া। তবে এর চেয়ে বেশি ভালো লাগছে, বিশ্বের মানুষ রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বর গণহত্যার গল্প জানতে পারবেন।’

সোহেল আরও জানান, এ ফিল্মের মূল উদ্দেশ্য, দেশছাড়া নিরীহ কিছু মানুষের মুখে ভাষা দেওয়া। তাদের কথা দুনিয়াকে জানানো। এখানে কোনো অভিনয় নেই। বাস্তব গল্প ও চরিত্রেরাই এখানে কথা বলে। এটি আবার সংবাদচিত্র বা তথ্যচিত্রও নয়। সিনেমার ভাষায় এটিকে ক্রিয়েটিভ ডকুমেন্টারি ফিল্ম বলে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্কলারশিপ নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের ওপর পর্তুগালের লুসুফনা ইউনিভার্সিটি, হাঙ্গেরির ইউনিভার্সিটি অব থিয়েটার অ্যান্ড ফিল্ম আর্টস ও বেলজিয়ামের সিন্ট লুকাস ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে জয়েন্ট মাস্টার্স করেছেন সোহেল রহমান।

গ্র্যাজুয়েশন ফিল্ম ‘আ পাসাজেম’-এর জন্য ২০১৫ সালে পর্তুগালের লুসুফনা ইউনিভার্সিটি থেকে বেস্ট ডকুমেন্টারি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড পান সোহেল। একই বছর অর্জন করেন পর্তুগালের এনকন্ত্রস ইন্টারন্যাশনাল সিনেমা ডে ভিয়েনা চলচ্চিত্র উৎসবের স্পেশাল জুরি অ্যাওয়ার্ড।
সোহেল বর্তমানে পর্তুগালের দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে চার পর্তুগিজ জেলের দুঃসাহসিক জীবন নিয়ে নির্মাণ করছেন ‘ড্যান্সিং উইথ দ্য সি’।

বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন