সাদাকালো পর্দায় সুপ্রিয়া দেবীর সাবলীল উপস্থিতি খুব সহজেই মন টানত দর্শকের
সাদাকালো পর্দায় সুপ্রিয়া দেবীর সাবলীল উপস্থিতি খুব সহজেই মন টানত দর্শকেরছবি: কোলাজ

‘অতীতের তীর থেকে কোনো রাত্রে কখনো কোনো দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হবে, অশুভ ২৪ জুলাইয়ের আগে ভাবতেও পারিনি। তাঁর নাম ধরে কোনোদিন কখনো ডাকতাম না। কৈশোরেও না, যৌবনেও না। ওঁর সঙ্গে ময়রা স্ট্রিটে সতেরো বছরের ঘরকন্না করার অবস্থায়ও না।’

‘উত্তমের আমি’ নামের জীবনী গ্রন্থে ঠিক এমনটাই লিখেছেন সুপ্রিয়া দেবী। ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগের বিখ্যাত অভিনেত্রী তিনি। সাদাকালো পর্দায় তাঁর সাবলীল উপস্থিতি খুব সহজেই মন টানত দর্শকের। সুপ্রিয়া মানে ঢাকাই শাড়িতে নারী, কপালে বড় সিঁদুরের টিপ। সিঁথিতে চওড়া সিঁদুর,আঁচলে চাবির গোছা । আবার সুপ্রিয়া সাদাকালো পর্দায় ‘সেক্স সিম্বল’। যাঁকে তুলনা করা হতো হলিউড অভিনেত্রী সোফিয়া লরেনের সঙ্গে। সুপ্রিয়ার চাহনি, হাসি, ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সোফিয়ার মিল খুঁজে পেয়েছিলেন তাঁর ভক্তরা। অনেকে আবার সে সময় লিজ টেলরের সঙ্গেও তুলনা করতেন তাঁকে।
আজ ২৬ জানুয়ারি তাঁর প্রয়াণ দিবস। ২০১৮ সালের এই দিনে তিনি শেষবার শ্বাস নেন। কলকাতার বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডের বাড়িতে মারা যান এ অভিনেত্রী। রেখে গেছেন তাঁর একমাত্র মেয়ে সোমা চৌধুরীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও ভক্তকে।

default-image

সুচিত্রার উজ্জ্বল আলোর পাশে অপূর্ব এক আলো হয়ে বাঙালির হৃদয়ে দাগ কেটেছিলেন সুপ্রিয়া দেবী। ঋত্বিক ঘটকের ‘মেঘে ঢাকা তারা’ হোক কিংবা ‘সোনার হরিণ’—সব চরিত্রকেই জীবন্ত করে তুলেছিলেন।

বিজ্ঞাপন

তিনি যেমন ছিলেন ঋত্বিক ঘটকের ছবির নায়িকা, তেমনই মহানায়ক উত্তম কুমারেরও নায়িকা, বন্ধু। সঙ্গত কারণেই তাঁর নামের পাশাপাশি উত্তমের নামটি উচ্চারিত হয় অথবা উত্তমের নামের পাশাপাশি সুপ্রিয়ার নাম। বেণু বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে সুপ্রিয়া ব্যানার্জি, সুপ্রিয়া চৌধুরী হয়ে সুপ্রিয়া দেবী—এই চলচ্চিত্রযাত্রার নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি শুধুই উত্তম কুমারের ‘সুপ্রিয়া’। কেন, তা এ লেখায় কিছুটা জানা যাবে আজ।

default-image

সুপ্রিয়া শেষবার ঢাকায় এসেছিলেন ২০১৫ সালের মার্চ মাসে। গুলশান ক্লাবে প্রথম আলোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উত্তম কুমার প্রসঙ্গে পরিষ্কার বলেছিলেন ‘তোমাদের দাদাকে (উত্তম কুমার) নিয়ে কিছু বলতে গেলেই এখনো বুকের ভেতর থেকে কান্না বেরিয়ে আসে। তিনি কত আগে চলে গেছেন। ৩৫ বছর হলো।’ সেদিন তিনি জানিয়েছিলেন, মামার বাড়ি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জে আর ফরিদপুরের নড়িয়ায় (এখন শরীয়তপুর) বাবার বাড়ি।

বার্মা থেকে পাঁয়ে হেটে কলকাতা
সুপ্রিয়া দেবী জন্মেছিলেন বার্মায় (বর্তমান মিয়ানমার), ১৯৩৩ সালের ৮ জানুয়ারি। উত্তর ভাগে ইরাবতীর তীরে মিচকিনা নামক এলাকা তাঁর জন্মস্থান। আইনজীবী বাবা গোপাল চন্দ্র ব্যানার্জি ও মা কিরণবালা ব্যানার্জির কন্যা সুপ্রিয়াকে বাড়িতে ডাকা হতো ‘বেণু’ বলে।

default-image

সুপ্রিয়ারা ছিলেন তিন ভাই ও সাত বোন। সবাইকে নিয়ে তৎকালীন বার্মাতে ভালোই চলছিল সংসার। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ লেগে গেল। বার্মা ছাড়তে হলো।

নিজের জীবনীতে সুপ্রিয়া লিখেছেন, ‘মনে পড়ে ১৯৪২ সাল, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ চলছে। বার্মা থেকে পায়ে হেঁটে ১ মাস ২৩ দিনের পথ পেরিয়ে বাবার সঙ্গে আমি ১২ নম্বর ল্যান্সডাউন রোডে ফিরে এসেছি। অবস্থার দুর্বিপাকে বাড়িটা একদিন বিক্রি হয়ে যায়। তারপর তিন বছর বাবা ও অন্যান্য ভাইবোনের সঙ্গে তাঁর কর্মস্থলে ঘুরে বেড়াই। নারায়ণগঞ্জ, মধুপুর, মুজাফ্ফরপুর ঘুরে বেড়াই। ১৯৪৫ সালে ওই গিরিশ মুখার্জি রোড থেকে আবার বার্মায় চলে যাই।’

default-image

একসময় কলকাতার গিরিশ মুখার্জি রোডে স্থায়ী হন সুপ্রিয়ার বাবা। সুপ্রিয়ার এক বোনের স্বামী ছিলেন সাহিত্যিক বনফুল। সেই সূত্রে বাড়িতে সাহিত্যিক বন্ধুদের আনাগোনা ছিল। সুপ্রিয়ার শিল্প-সাহিত্য-থিয়েটার-চলচ্চিত্রের প্রতি আগ্রহ বাড়ে। ভগ্নিপতি বনফুলের লেখা ‘মানদণ্ড’ ছবিতে প্রথম অভিনয়ের প্রস্তাব এল বেণুর। পরিচালক বিমল রায়। কিন্তু বাবা অনুমতি দিলেন না। ‘মানদণ্ড’-এর নায়িকা চন্দ্রাবতী দেবী তাঁদের পাশের বাড়িতেই থাকতেন। একদিন বেণুকে দেখে বললেন, ‘সিনেমায় নামবে?’ চন্দ্রাবতী দেবীই এবার সুপ্রিয়ার বাবাকে রাজি করালেন। পরিচালক নীরেন লাহিড়ীর ছবি ‘নাগপাশ’ হলো সুপ্রিয়ার প্রথম ছবি। তবে ছবিটি মুক্তি পায়নি। পরের ছবি ‘বসু পরিবার’-এ উত্তম কুমারের সঙ্গে দেখা।

বিজ্ঞাপন

ছবিতে সুপ্রিয়ার দাদার চরিত্রে উত্তম কুমার। এই ছবির শুটিং চলাকালে পাহাড়ি সান্যাল বেণুর নতুন নাম রাখলেন ‘সুপ্রিয়া ব্যানার্জি’। একটা দৃশ্যে সুপ্রিয়া দাদা উত্তমকে জড়িয়ে ধরেন, আবেগি হয়ে। সুপ্রিয়ার বাবা এই দৃশ্য কোনোভাবেই শুটিং করতে দেবেন না। এমন অবস্থায় কোনো রকমে ছবি শেষ হলেও বাড়িতে সবাই মিলে ঠিক করল, সুপ্রিয়ার আর অভিনয় করা চলবে না।

default-image

উত্তম নিশ্চিন্তে থেকেছেন সুপ্রিয়ার সঙ্গে
এরই মধ্যে বিয়ে হয়ে গেল, স্বামী বিশ্বনাথ চৌধুরী। এদিকে সত্যজিৎ রায় ‘বসু পরিবার’ দেখে সুপ্রিয়াকে খুঁজছেন। খবর পাঠালেন, রবীন্দ্রনাথের ‘ঘরে-বাইরে’ বানালে সুপ্রিয়াকে দিয়েই বিমলা করাতে চান। পরে অবশ্য সে ছবিতে সুপ্রিয়ার কাজ করা হয়নি। কলকাতার চলচ্চিত্রের বাজারে সুপ্রিয়া নামটি প্রথম সবার নজরে এল ‘আম্রপালি’ মুক্তির পর। শোনা যায়, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এসে ‘আম্রপালি’তে সুপ্রিয়াকে নিয়েছিলেন।

একদিন ঋত্বিক ঘটক সুপ্রিয়াকে ডেকে পাঠিয়েছেন। পরিচালকদের সঙ্গে সুপ্রিয়ার অভিজ্ঞতা তেমন ভালো নয়, তাচ্ছিল্য করেছেন অনেকে। তাই নিজে না গিয়ে উল্টা ঋত্বিককেই বাড়িতে আসতে বললেন।

পরদিন ঋত্বিক এসে ঠিক হাজির। প্রথম সম্বোধনেই ঋত্বিক বললেন, ‘দেখ, আমি আপনি–আজ্ঞে করতে পারব না। তুই আমার ছোট বোনের মতো। অভিনয় খুব ভালো, মেকআপ ছাড়া। কারণ, অভিনয়টা একটা রিফিউজি মেয়ের। চরিত্রটি নীতা, ছবির নাম ‘‘মেঘে ঢাকা তারা”।’

default-image

ব্যস, বাকিটা ইতিহাস। এবার এগিয়ে যাওয়ার পালা। এগিয়ে যেতে থাকেন সুপ্রিয়া। ‘মেঘে ঢাকা তারা’র নীতা আর ‘কোমল গান্ধার’-এর অনুসূয়ার পর ঋত্বিক পরে সুপ্রিয়াকে মাথায় রেখে ‘সুবর্ণরেখা’র চিত্রনাট্য করেছিলেন। কিন্তু অন্য পরিচালকদের ছবিতে ফাঁকি দিয়ে ঋত্বিকের ছবি করতে উত্তম না করলেন।

আগেই বলেছি, উত্তম কুমারের সঙ্গে সুপ্রিয়া দেবী প্রথম অভিনয় করেন ‘বসু পরিবার’ ছবিতে। তিনি বললেন, ‘শুটিংয়ের ফাঁকে উত্তম কুমার আমাকে বললেন, “অ্যাই, তুমি সেই মেয়েটা না?” আমি বললাম, ‘হ্যাঁ, আমিই সেই মেয়ে।’ ‘মেঘে ঢাকা তারা’র সেটে সুপ্রিয়াকে দেখে উত্তম বলেছিলেন, ‘কালিঝুলি মেখে অভিনয় করলে কেউ আর পুছবে না। গ্ল্যামারাস রোল করো।’ অবশ্য তখনো উত্তমের সঙ্গে প্রেম হয়নি সুপ্রিয়ার। প্রথম আলোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্মৃতিচারণা করে সুপ্রিয়া দেবী বলেছিলেন, ‘উত্তম কুমার তো আমাদের বাসায় প্রায়ই আসতেন। মেজদা, সেজদার সঙ্গে আড্ডা দিতেন। আমরা যে বাড়িতে ভাড়া থাকতাম, ওই বাড়িওয়ালার বাসায় গানের আসর বসল। একটা ছেলে গান গাইছে। সেই কী গানের গলা! গান শেষে আমি বললাম, ‘এখানে কেন? তুমি তো বাইরে প্যান্ডেল টানিয়ে গাইতে পারো। ছেলেটি আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “এই মেয়েটা কে রে? এত ক্যাট ক্যাট করে?” আমার বয়স তখন ১১ আর ছেলেটির ১৮ কিংবা ১৯ হবে। এই ছেলেই উত্তম কুমার।’

default-image

এরপর ধীরে ধীরে উত্তম কুমার আর সুপ্রিয়া দেবীর মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। সুপ্রিয়া বলেন, ‘তিনি তো বিবাহিত ছিলেন। একদিন ছবির শুটিং শেষে আমার বাড়িতে চলে এলেন। ওই যে এলেন, আর গেলেন না।’ ৪০টির বেশি ছবিতে উত্তম কুমারের সঙ্গে অভিনয় করেছেন সুপ্রিয়া।

default-image

এভাবে কাজে, বন্ধুত্বে সুপ্রিয়ার জীবন হয়ে উঠেছিল পুরোপুরি উত্তমময়। স্ত্রীর সঙ্গে সংকট চলছে উত্তমের। সুপ্রিয়ারও ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় স্বামীর সঙ্গে। তবে স্ত্রী গৌরীকে ডিভোর্সও দেননি উত্তম। তাই সুপ্রিয়াকে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করতে পারছিলেন না। চারদিকে কানাঘুষা, বদনাম ছড়িয়ে পড়েছে। অবশ্য দুজনের কেউই এসব পাত্তা দেননি।

সুপ্রিয়ার হাতের রান্না ছাড়া উত্তম খেতে পারতেন না। পরে ‘বেণুদির রান্না’ সে সময়ে কলকাতার চলচ্চিত্র জগতে একটা মিথ হয়েছিল। রান্নার বই লিখেও সুপ্রিয়া নাম করেছেন আলাদা করে। সুপ্রিয়া নিজেই বলেছেন, উত্তমকুমারও তাঁর রান্নার ভীষণ ভক্ত ছিলেন। সব খাবারই ভালোবাসতেন, বেশি পছন্দ করতেন পোস্ত। সুপ্রিয়ার হাতের খাবার খেয়ে বলতেন, “মোটা হয়ে যাচ্ছি, মোটা হয়ে যাচ্ছি।”

১৭ বছর সংসার করে উত্তম পরপারে চলে গেলেন। কিন্তু সেই বিয়ে যেহেতু গ্রহণীয় ছিল না, সেহেতু স্ত্রী হিসেবে কোনো স্বীকৃতি পাননি সুপ্রিয়া দেবী। উত্তম কুমার মারা যাওয়ার পরে কার্যত একাই হয়ে যান। উত্তমের মৃত্যুর পর সুপ্রিয়া তাঁর স্মৃতিগুলো আঁকড়েই বাকিটা জীবন বেঁচে ছিলেন, ২৬ জানুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত।
বড্ড একাকী জীবন ছিল তাঁর
একটা ‘মেঘে ঢাকা তারা’-র জন্যই সুপ্রিয়া দেবীকে শুধু মনে রাখা যায়। ওই একটা ছবি করলে আর সিনেমায় অভিনয় না করলেও চলত। এমন কথা সমালোচকেরা প্রায়ই বলে থাকেন।

বিজ্ঞাপন

আর কী বা এমন চরিত্র করেছেন, এমনও বলেন অতি সমালোচক কেউ কেউ। অবশ্য সুপ্রিয়া অভিনীত ‘দেবদাস’, ‘বনপলাশীর পদাবলি’, ‘সোনার হরিণ’, ‘ইমন কল্যাণ’, ‘মন নিয়ে’, ‘দুই পৃথিবী’, ‘সন্ন্যাসী রাজা’, ‘সিস্টার’, ‘দুই পুরুষ’, ‘যদি জানতেম’, ‘সবরমতি’, ‘চৌরঙ্গী’, ‘তিন অধ্যায়’, ‘কাল তুমি আলেয়া’, ‘শুধু একটি বছর’, ‘লাল পাথর’–এর কথা মোটেও ফেলে দিতে পারবেন না সেই সমালোচকেরা।

default-image

তবে এটাও ঠিক, ‘মেঘে ঢাকা তারা’র ‘নীতা’ চরিত্রের অভিনয় সুপ্রিয়াকে অমর করে রাখবে। নীতার সঙ্গে বাস্তবের সুপ্রিয়ারও অনেক মিল। দুজনই পরিবারে অভাব দেখেছেন, কষ্টে কেটেছে জীবন। ভাই গানের জগতে নাম করবে বলে নীতা যেমন আত্মত্যাগ করেছেন, সুপ্রিয়াও উত্তমের ক্যারিয়ারের দিকে তাকিয়ে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিলেন। নীতা প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল প্রেমিকের কাছে। সুপ্রিয়াও উত্তমকে পেয়েও পাননি। তবে ব্যক্তিজীবনে হাহাকার থাকলেও ক্যারিয়ারে সম্মান পেয়েছেন বেশ; জীবদ্দশাতেই তিনি পেয়েছেন পদ্মশ্রী, বঙ্গবিভূষণসহ অসংখ্য সম্মাননা।

default-image

জীবনের শেষ বছরগুলোয় টেলিভিশন কিংবা বড় পর্দায় তাঁকে দেখা যায়নি। বাইরে মিশতেন কম। বলা চলে রুপালি দুনিয়া থেকে একপ্রকার মুখ ঘুরিয়েই নিয়েছিলেন। সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতেন কম। শেষ জীবনের এক সাক্ষাৎকারে একটা গোপন রাখা কষ্ট প্রকাশ করেছিলেন সুপ্রিয়া। একটি ভারতীয় বাংলা দৈনিকের জন্য তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন সাহিত্যিক আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে সর্বাণী মুখোপাধ্যায়। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এটিই ছিল সুপ্রিয়ার শেষ সাক্ষাৎকার। বলেছিলেন, ‘এত মার সারা জীবনে খেয়েছি, যে তোরা ভাবতেও পারবি না!’

বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন