কী কী শর্ত থাকে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে? জানতে চাইলে পিয়া জানান, শিক্ষা, মিডিয়াতে কাজের অভিজ্ঞতা, অন্য কোনো সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা, বর্তমান কাজের স্ট্যাটাস, সামাজিক প্রভাব, সুখী দম্পতি—এসব বিষয় । পিয়া বিলেন, ‘আমি বর্তমানে নিউইয়র্কের একটি আইটি প্রতিষ্ঠানে ভালো পারিশ্রমিকে চাকরি করছি। এ ছাড়া এখানকার বড় কয়েকটি স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ডের পণ্যের প্রমোশন বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করি। আর বাকি শর্তগুলো তো আমার আগেরই অভিজ্ঞতা আছে। সব মিলিয়ে আমাকে এই প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত করা হয়েছে।’
অংশগ্রহণের সুযোগে কেমন লাগছে জানতে চাইলে পিয়া বলেন, ‘প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়াটাই বড় মনে করছি না। এত বড় একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারছি এটাই আমার জন্য বড় ব্যাপার। নানা দেশের প্রতিযোগিতাদের সঙ্গে পরিচয় হবে, মেলামেশার সুযোগ হবে, বন্ধুত্ব তৈরি হবে। তাঁদের দেশ, তাঁদের কালচার সম্পর্কে জানতে পারব। এটাই বা কম কি।’

এ প্রতিযোগিতায় পিয়ার রূপবিশেষজ্ঞ হিসেবে বাংলাদেশ থেকে থাকবেন ইসরাত মারিয়া। তা ছাড়া পিয়াকে উৎসাহ দিতে অনুষ্ঠানে তাঁর মা, ভাই ও বোনকেও বাংলাদেশ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সবার ভিসার জন্য লেটার দিয়েছেন আয়োজকেরা, জানালেন পিয়া।
পিয়া জানান, নিউইয়র্কে অবস্থিত তাঁর স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি—সবাই অনুষ্ঠানটিতে লড়ার জন্য সহযোগিতা করছেন তাঁকে। অনুষ্ঠানের এখনো প্রায় আট মাস বাকি। প্রতিযোগিতায় নিজেকে তুলে ধরতে নিজের প্রস্তুতিও নিচ্ছেন এই মডেল-অভিনেত্রী। নিয়মিত ব্যায়ামাগারে ঘাম ঝরাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘শরীরের ওজন কমাতে হবে। বর্তমানে প্রায় ৬৩ কেজি ওজন আমার । অন্তত ১০ কেজি ওজন কমাতে হবে। এ ছাড়াও প্রতিযোগিতায় নানা বিষয়ে নিজেকে উপযুক্ত করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

প্রায় দুই বছর হলো পিয়া বিপাশা রিজবেই নামে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এক ব্যবসায়ীকে বিয়ে করে সেখানে বসবাস করছেন। পিয়া বিপাশা বাংলাদেশে থাকতে সব৴শেষ ‘গল্পওয়ালা’ নামে এক ঘণ্টার নাটকে অভিনয় করেন। বিপরীতে ছিলেন মোশাররফ করিম। পিয়া বিপাশা জানান, ডিসেম্বরে প্রতিযোগিতা শেষ করে দেশে আসতে পারেন। পিয়া বলেন, ‘এবার বাংলাদেশে গিয়ে ভালো প্রজেক্ট পেলে দু-একটি নাটকে কাজ করতে করতে চাই।’