default-image

‘এই চিত্রকর্মের মধ্যে যাঁকে দেখছেন, তিনি আমার নানি। তিনি পটুয়াখালীতে থাকার সময় একবার সাইক্লোনে ভেসে গিয়েছিলেন আরেক দ্বীপে। পরে তাঁকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের প্রত্যেক নারীর মধ্যে আমার নানির মতো প্রাণশক্তি আছে।’ কথাগুলো বলছিলেন প্রবাসী শিল্পী মনিকা জাহান বোস। কথা বলার সময় পাশেই প্রজেক্টরে দেখানো হচ্ছিল তাঁর আঁকা চিত্রকর্ম। এ রকম বেশ কিছু চিত্রকর্ম, বেশ কিছু অভিনয়শিল্প, বেশ কিছু শাড়ির গল্প তুলে ধরলেন মনিকা জাহান বোস।
১৪ ফেব্রুয়ারি শাড়ি নিয়ে একটি অভিনয়শিল্প পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ‘তারপর’ শিরোনামে মনিকার প্রদর্শনীটি। ঠিক এর পরদিন সন্ধ্যায় শিল্পী বসেছিলেন বেঙ্গল ক্যাফেতে। শাড়ি নিয়ে তাঁর যাবতীয় কর্মকাণ্ডের গল্প শোনালেন তিনি। গল্প শোনানোর এ আয়োজনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘স্টোরিটেলিং উইথ শাড়িস’। তবে সেই গল্পটি শুধু শাড়িতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। উঠে এসেছে তাঁর ব্যক্তিগত নানা বিষয়। বলেছেন, কী করে কাটাখালীর ১২ জন নারী পেলেন শিক্ষার আলো। সেই আলো ছড়ালেন শাড়িতে। তারপর তাঁরাই শাড়িগুলো ব্যবহার করলেন আট মাস। ব্যবহার করা সেই শাড়িই হয়ে উঠল মনিকা জাহান বোসের শিল্পকর্মের অন্যতম উপাদান।
মনিকা জাহান বোস বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান শিল্পী। কাজ করছেন নারী অধিকার ও বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে। তাঁর মায়ের প্রতিষ্ঠা করা ‘সংহতি’ নামের একটি অলাভজনক সংগঠনের সঙ্গেও যুক্ত আছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন
বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন