default-image

প্রতিটি মানুষের জীবনেই পরিবার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জীবনে পথ চলতে গিয়ে মনের মানুষের দেখাও মেলে। কে বেশি গুরুত্বপূর্ণ? মনের মানুষ, নাকি পরিবারের সদস্য? একজনকে বেশি গুরুত্ব দিতে গিয়ে আরেকজনকে অবহেলা করার ফল অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্ম দিতে পারে। এমন একটি গল্প নিয়ে প্রাইওরিটি শিরোনামে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন তরুণ দুই নির্মাতা মোস্তফা কামাল সোহেল ও চঞ্চল। এর প্রধান দুটি চরিত্র মিতুল ও জেসি। চরিত্র দুটিতে অভিনয় করেছেন যথাক্রমে চলচ্চিত্র অভিনেতা আফফান মিতুল ও নতুন অভিনেত্রী সাইমুন।
প্রাইওরিটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য লিখেছেন নাসিফ। এরই মধ্যে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় এর শুটিং করা হয়েছে। চিত্রগ্রাহক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তানভীর আহমেদ। প্রাইওরিটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জামিউল ইসলাম মারুফ, ফারিয়া ফারিয়েল, লুসেন্ট হাসানাত, হিমেল খন্দকার, অরণ্য হুমায়ূন প্রমুখ।
প্রাইওরিটির কাহিনি সম্পর্কে নির্মাতা মোস্তফা কামাল সোহেল জানিয়েছেন, মিতুল ও জেসি একে অন্যকে ভালোবাসেন। ভালোবাসা দিবসে প্রেমিকাকে দামি একটি মোবাইল ফোন উপহার দেওয়ার জন্য অনেক কষ্ট করে টাকা জোগাড় করেন মিতুল। তাঁর অসুস্থ মা চিকিৎসার জন্য ছেলের কাছে টাকা চাইলেও মাকে অবহেলা করেন মিতুল। মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা না করে প্রেমিকা জেসিকে দামি মোবাইল ফোন কিনে দেন। কাকতালীয়ভাবে ভালোবাসা দিবসেই মৃত্যুবরণ করেন মিতুলের মা। মাকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন মিতুল। অনুশোচনা ভর করে তাঁর ওপর।
বরাবরই ভালো গল্পের নাটক কিংবা চলচ্চিত্রে অভিনয় করার চেষ্টা করেন মিতুল। এখন পর্যন্ত তাঁর অভিনীত দুটি চলচ্চিত্র মুক্তি পেয়েছে। ছবি দুটি হলো নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ এবং হরিজন।
প্রাইওরিটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে মিতুল বলেন, ‘খুব সংবেদনশীল একটি গল্প নিয়ে এটি নির্মিত হয়েছে। কাজ করে খুব ভালো লেগেছে। এর কাহিনিতে দেখা যাবে, অসুস্থ মা চিকিৎসার জন্য পাঁচ হাজার টাকা চান আমার কাছে। কিন্তু তা না দিয়ে ভালোবাসা দিবসের উপহার হিসেবে ১৫ হাজার টাকা খরচ করে প্রেমিকাকে স্মার্ট ফোন কিনে দিই আমি। ভালোবাসা দিবসেই মারা যান আমার মা।’

বিজ্ঞাপন
বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন