বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নীলা আসমান সো গ্যায়া
‘সিলসিলা’রই আরেকটি গান ‘নীলা আসমান সো গ্যায়া’। এই গানেও কণ্ঠ দিয়েছেন অমিতাভ। এই গানের মূল সুর শাম্মী কাপুরের। ‘জমির’ ছবির সেটে অমিতাভকে এই গান শুনিয়েছিলেন শাম্মি কাপুর। এরপর যশ চোপড়াকে এই গানের কথা বলেন অমিতাভ। তাঁর আগ্রহেই যশ চোপড়া ‘নীলা আসমান সো গ্যায়া’ গানটি গাওয়ার অনুমতি দেন। জাভেদ আখতারের লেখা গানটি সংগীত পরিচালনা করেছেন শিব-হরি জুটি। গানটিতে নারী কণ্ঠ দিয়েছেন লতা মঙ্গেশকর।

default-image

মেরে আঙ্গনে মে
১৯৮১ সালেরই গান। ‘লাওয়ারিস’ ছবিতে অমিতাভের কণ্ঠে শোনা গিয়েছিল ‘মেরে আঙ্গনে মে’। নাচের গান হিসেবে আজও সমান জনপ্রিয় এই গান। ছবিতে বিভিন্ন অংশে গানটি ব্যবহার করা হয়েছে। কণ্ঠ দিয়েছেন মান্না দে, কিশোর কুমার ও অলকা ইয়াগনিক। তবে মূল গানটি, অর্থাৎ অমিতাভ যে অংশ অভিনয় করেছিলেন, সেটি তাঁর একক পরিবেশনা।

default-image

হরি খেলে রঘুবীরা
২০০৩ সালের গান। ‘বাগবান’ ছবিতে অমিতাভের গলায় আবার শোনা গেল রঙের উৎসবের বিশেষ একটি গান। প্রায় ২০ বছর পর হেমা মালিনীর সঙ্গে এই ছবিতে দেখা গিয়েছিল অমিতাভকে। গানটির লেখক সমীর। সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন আদেশ শ্রীবাস্তব। গানটিতে আরও কণ্ঠ দিয়েছেন উদিত নারায়ণ, অলকা ইয়াগনিক।

default-image

রোজানা জিয়ে
‘নিশব্দ’ ছবিতে অমিতাভের গলায় ‘রোজানা জিয়ে’ গানটি অসম্ভব জনপ্রিয়। মেয়ের বান্ধবীর সঙ্গে প্রেমে পড়ার গল্প নিয়ে এই ছবি। গানটি সুর করেছেন অমর মোহিলা।

default-image

একলা চলো রে
২০১২ সালের গান। বিদ্যা বালানের বিখ্যাত ছবি ‘কাহানি’তে রবীন্দ্রসংগীতটি নিজস্ব ঢঙে গেয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন। বিশাল-শেখর গানটির সংগীত পরিচালনা করেছেন।

default-image

পিডলি সি বাতে
২০১৫ সালের গান। ‘শামিতাভ’ ছবিতে অমিতাভকে বাথরুমের কমোডে বসে এ গানের সঙ্গে ঠোঁট মেলাতে দেখেছেন দর্শক। ইলাইয়া রাজার সংগীত পরিচালনায় গানটির কথা লিখেছেন স্বানন্দ কিরকিরের। ‘পিডলি সি বাতে’ গানটিও নিজে গেয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন।

বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন